
মোহাম্মদ আলী ভূঁইয়া-নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর ধনু নদী থেকে শান্তনা (৭) নামের এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের ধনু নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শান্তনা উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের টেঙ্গুরিয়া গ্রামের শাহজাহানের কন্যা। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশু শান্তনা নিজ ঘর থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো সন্ধান না পেয়ে পরবর্তীতে নিকলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে ধনু নদীতে একটি শিশুর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে নিকলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাগর বিশ্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নদী থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করা হয়েছে।
তবে ঘটনার পেছনে পূর্বশত্রুতার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের বাবা শাহজাহান। তার দাবি, একই এলাকার এক ব্যক্তির সাথে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই তার কন্যাসন্তানকে অপহরণের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান নয়া দিগন্তকে জানান, নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

