
মোঃ জাহিদ হোসেন জিমু
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোঃ আসিফ উর রহমানকে জড়িয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণরূপে একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা এবং একজন নিষ্ঠাবান চিকিৎসকের সুনাম নষ্ট করতেই একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি শেফা বেগম নামে এক রোগীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। তবে অভিযোগ উঠেছে, ওই রোগীর ঘটনাটিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। চিকিৎসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেডিকেল সার্টিফিকেট (এমসি) প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জন্য সময়ের প্রয়োজন হয়, যা সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক। কিন্তু সেই স্বাভাবিক সময়ক্ষেপণকে ‘গড়িমসি’ বা ‘ইচ্ছাকৃত হয়রানি’ হিসেবে প্রচার করা বাস্তবতাকে আড়াল করার নামান্তর।
এ বিষয়ে ডা. মোঃ আসিফ উর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি সর্বদা সরকারি বিধিমালা এবং পেশাগত নৈতিকতা মেনেই আমার দায়িত্ব পালন করে আসছি। একটি অসাধু চক্র তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে আমাকে এবং এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানকে জনগণের সামনে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।”
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ডা. আসিফ উর রহমান অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে হাসপাতালের নথিপত্র উপস্থাপন করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সঠিক তথ্য যাচাই না করেই সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সচেতন মহলের দাবি, এ ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

