
মোঃ জাহিদ হোসেন জিমু-গাইবান্ধা :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৪০ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী রয়েছেন ৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৮ জন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে একজন মার্কসবাদী এবং অপর একজন নারী স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের হাতে নমুনা প্রতীক তুলে দেন রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
প্রতীক বরাদ্দের শুরুতে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের ৮ জন, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের ৭ জন এবং গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনের ১০ জন দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বিতরণ করা হয়।
এরপর গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের ৬ জন এবং গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা–ফুলছড়ি) আসনের ৯ জনসহ মোট ১৫ প্রার্থীর হাতে প্রতীক তুলে দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দের সময় স্ব-স্ব আসনের বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রতীক হাতে পেয়ে উপস্থিত প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং শান্তিপূর্ণ ও নিয়মসম্মত প্রচারণার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রতীক বিতরণ শেষে রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্টদের উদ্দেশে বলেন—নির্বাচনী প্রচারণায় পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিটি এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাত উপজেলা ও চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত পাঁচটি আসনে মোট ভোটার ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪০১ জন, নারী ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। জেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৬৭৫টি এবং ভোটকক্ষ ৪ হাজার ১০১টি।

