
নিজস্ব প্রতিনিধি :
রাজনীতিতে দলের সিদ্ধান্তই সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত—এমন মন্তব্য করে দলের ভেতরে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন—এটিকেই বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
মতামতে উল্লেখ করা হয়, যারা এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না, তারা মূলত দলের প্রতি নিজেরাই প্রশ্ন তৈরি করছেন।
বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর যুগ্ম আহ্বায়ক এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন গণমাধ্যম জরিপ, মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও সংগঠনের সার্ভে রিপোর্টে দেখা যায়—ঢাকা–১৮ আসনে জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলক বেশি। এসব বিবেচনায় দল তাঁকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়।
এ আসনে মনোনয়নের জন্য বেশ কয়েকজন নেতার আগ্রহ থাকলেও—সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক কফিল উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন এবং আফাজ উদ্দিন—দলের মূল্যায়ন অনুযায়ী এদের গ্রহণযোগ্যতা সার্ভে রিপোর্টে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আসেনি।
অপরদিকে এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মাঠপর্যায়ের ভিত্তি তাকে এগিয়ে রেখেছে।
মনোনয়ন ঘোষণার পরেও দলের কিছু নেতার মধ্যে বিভ্রান্তি বা অসন্তোষের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে, দায়িত্বশীল মহল থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়—দলের সিদ্ধান্ত সবার জন্য বাধ্যতামূলক, এবং দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভেদ সৃষ্টি বা অপপ্রচার সংগঠনের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
দলের উচ্চপর্যায় থেকে জানানো হয়েছে—
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিভেদ, উস্কানি বা অপপ্রচারে জড়িত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাঁরা মনোনয়ন পাননি, তাদেরকেও ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনকে ঘিরে দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সম্মিলিতভাবে মাঠে থাকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

