
মো: মাসুম বিল্লাহ-খুলনা :
খুলনায় আলোচিত ত্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন নিয়ে শনিবার কেএমপি সদর দপ্তরে পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে অর্থনৈতিক ও পারিবারিক বিরোধ জড়িত।
পুলিশের তথ্যমতে, এই হত্যাকাণ্ডে শামীমসহ মোট পাঁচজন ঘাতক অংশ নেয়। তাদের সবার কাছেই ধারালো অস্ত্রসহ আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। তবে ঘটনাস্থলে যা পেয়েছে তাই ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেছে তারা।
উল্লেখ্য গত ১৬ নভেম্বর রাতে লবণচরা থানার দরবেশ মোল্লার গলিতে নিজ বাড়িতে শিশু মুসতাকিম (৮), ফাতিহা (৭) ও তাদের নানি শাহীতুন নেসাকে (৫৫) নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দুর্বৃত্তরা ইট দিয়ে আঘাত করে তিনজনকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণে যেটা জানা যায়,শেফার আহমেদ ও শামীম আহমেদ দুইজন মামাতো ফুফাতো ভাই।দীর্ঘদিন তাদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল।শামীম আহমেদ অস্ত্র মামলায় দীর্ঘদিন জেলে থাকায় একটা সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যের সাথে তার পরিচয় হয়।তখন শামীম আহমেদ জেলে বসেই সেফার আহমেদ এর পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।জেল থেকে বের হয়ে পরিকল্পনা মাফিক সন্ত্রাসীদের নিয়ে ১৬ নভেম্বর এ হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করে।ঘটনার পর থেকে শামীম আহমেদ পালাতক ছিল এবং বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল।
শামীম আহমেদের পিতা রুস্তম আলী রূপসা থানার দেয়ারা গ্রামে থাকেন।তার নামে অস্ত্র আইনে একটা মামলা আছে।তা ছাড়া দুইটা সি আর মামলায় ওয়ারেন্ট মর্মে গ্রেফতার হয়েছিলেন।শামীম আহমেদ দেশ ছেড়ে পালানোর সময় জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন। তিনি বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ধারায় এই হত্যাকাণ্ডের জবানবন্দী দিয়েছেন।এই হত্যাকাণ্ডে দুইজন আসামি গ্রেফতার করেছে তাদের মধ্যে তরিকুল ইসলামের নামে একটি মাদক মামলা আছে।আর একজন আসামি তাফসির হাওলাদার তার নামে দুইটি চুরি ও ছিনতাই মামলা আছে।
এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

