
নিজস্ব প্রতিনিধি :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর একটি ঢাকা-১৫। এই আসনে মুখোমুখি হচ্ছেন দুই প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী দুই নেতা —
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র আমির ড. শফিকুর রহমান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনটি শুধু ঢাকার নয়, পুরো দেশের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, এই আসনে ভোটের ফলাফল অনেকটাই ইঙ্গিত দেবে বিএনপি ও জামায়াতের মাঠ পর্যায়ের জনপ্রিয়তার ভারসাম্য সম্পর্কে।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন: ত্যাগী, জনপ্রিয় ও মাঠকর্মী নেতা
দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-১৫ আসনে জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, সামাজিক সমস্যা ও স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রতিটি এলাকায়, বিশেষ করে মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলোতে গিয়ে আলেমদের অভাব-অভিযোগ শুনে তা সমাধানে ভূমিকা রাখছেন তিনি। সাধারণ মানুষের ভালো-মন্দে পাশে থাকার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে মিল্টনের গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বেড়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন,
“মিল্টন ভাইকে আমরা শুধু নেতা নয়, নিজের মানুষ মনে করি। তিনি সব সময় জনগণের পাশে থাকেন।”
ড. শফিকুর রহমান: ইসলামপন্থী রাজনীতির অভিজ্ঞ মুখ
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র আমির ড. শফিকুর রহমান দেশের রাজনীতিতে অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী একজন নেতা। ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির ধারক-বাহক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও ইসলামী আন্দোলনে ভূমিকা তাকে দেশের ইসলামপন্থী রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখে পরিণত করেছে। জামায়াতের একটি বড় অংশ তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ, যা তাকে ঢাকা-১৫ আসনে একটি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
জনগণের নজর এখন ঢাকা-১৫ আসনে
রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে, এই আসনে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও তৃণমূল সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখার কারণে বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কিছুটা এগিয়ে আছেন।
তবুও শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াই-ই নির্ধারণ করবে কে জিতবেন এই আলোচিত আসনে।
ঢাকা-১৫ এখন রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু — যেখানে ভোটের মাঠে মুখোমুখি হচ্ছেন দুই ভিন্ন আদর্শের দুই জনপ্রিয় নেতা।

