
সোহাঈদ খান জিয়া :
চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীতে চায়না ( রিং) জালে সয়লাব হয়ে গেছে। প্রশাসন নিরবতা পালন করছেন।
জানাযায়, বর্ষা মৌসুম আসার আগে চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী জেলে ও বিভিন্ন পেশার মানুষ চায়না ( রিং) জাল দিয়ে নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে । একেক জন মাছ শিকারী ৫/৭ টা বা তার চেয়ে বেশি জাল নিয়ে নৌকা যোগে নদীতে নেমে যায় মাছ শিকার করার জন্য। তাদের এসব জালে মাছের ছোট রেনুসহ সকল ধরনের মাছ ধরা পড়ে থাকে । এতে করে নদীতে মাছের আকাল দেখা দিয়েছে।যার ফলে অধিক দামে মাছ ক্রয় করতে হচ্ছে মানুষকে।এসকল মাছ শিকারীরা প্রতিদিন ভোর রাত ৪ টা বাজে নদীতে নৌকা নিয়ে নেমে পড়ে মাছ ধরার জন্য। চাঁদপুর সদর উপজেলার ইচলি এলাকা থেকে শুরু করে পুরো ডাকাতিয়া নদী জুড়ে রয়েছে চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকারীদের দাপট। এরা বুক ফুলিয়ে দিব্বি অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করলেও প্রশাসন নিরবতা পালন করতে দেখা যায়। কিন্তু প্রশাসনের নিরবতার কারণে মাছ শিকারিরা যে যার মতো করে মাছ শিকারে লিপ্ত থাকতে দেখা যায়।অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
সরজমিনে ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভোরবেলা জেলে ও জেলা ছাড়া এক শ্রেণির পেশাদার মাছ শিকারীরা নৌকা নিয়ে নদীতে নেমে যায়।জাল উঠিয়ে মাছ নৌকায় রেখে পুনরায় জাল পেতে রাখছেন। জাল চাওয়া শেষ করে মাছ গুলো স্থানীয় বাজারে, দোকানের নিকট, ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ও হাজীগঞ্জ বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাচ্ছে। এসব মাছের মধ্যে বেশির ভাগ মাছ হচ্ছে, ছোট চিংড়ি, ছোট ছোট বাইলা মাছ, চেউয়া মাছ, শিং মাছ, পুটি মাছ, বজরি(টেংরা) মাছের পোনা। আর এর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে মাছের রেনু পোনা। প্রতিদিন এক একজন মাছ শিকারী ২ হাজার টাকা হতে শুরু করে ৮/১০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করে থাকে। এদের দাফটে ভয়ে কেউ মাছ শিকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়নি। একটি সূত্র জানায়, একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করে থাকে বলে জানাযায়।ঐ মহলটি বিনিময়ে মাছ শিকারীদের নিকট হতে কেউ নিয়ে থাকে খানার মাছ।আবার কেউ চা নাস্তা খেয়ে থাকে।
এ ব্যাপারে
সজিব, সুমন, রহমান, ইমরান নামে জেলে জানায়, আমরা জাল কিনে এনে নদীতে মাছ শিকার করে থাকি।এসব জাল মতলব ও চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার থেকে কিনে আনি।বর্ষা কালেই এসব জাল দিয়ে মাছ শিকার বেশি হয়ে থাকে। বর্ষা মৌসুমে এসব জালে মাছ বেশি ধরা পড়ে থাকে। শুষ্ক মওসুমে তেমন মাছ ধরা পড়ে না।এসব জাল দিয়ে আমরা বর্ষা মওসুমে মাছ শিকার করি।ডাকাতিয়া নদীতে আমাদের মতো প্রায় হাজারের উপরে চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকারি রয়েছে।
এব্যাপারে মোবারক, হাবিব খান, শিমু, ইকবাল, মামুন, শাহজাহান, জুয়েল, বারেক খান বলেন, চায়না জালের বিরুদ্ধে নামে মাত্র অভিযান দেওয়া হয় বললে চলে। অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পেছন দিয়ে পুনরায় জেলেরা নদীতে নেমে যায়।গত বছর যে কদিন অভিযান করেছে এর মধ্যে ৫০ জন মাছ শিকারী থাকলে সেখানে ১০/১৫ জন জেলের জাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এভাবে কয়েদিন অভিযান করা হয়।বাকি পুরো বর্ষায় আর অভিযান করা হয়নি।এসব চায়না জাল দিয়ে ছোট মাছের রেনু পোনাসহ সকল ধরনের মাছের পোনা নিধন করা হচ্ছে। এসব রেনু পোনা নিধন করার কারণে ডাকাতিয়া নদীতে মাছের আকাল দেখা দিয়েছে। মাছের সংকট দূরীকরণে ও মাছের পোনা রক্ষা করার জন্য অভিযান জরুরি।
সজিব, সুমন, রহমান, ইমরান নামে জেলে জানায়, আমরা জাল কিনে এনে নদীতে মাছ শিকার করে থাকি।এসব জাল মতলব ও চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার থেকে কিনে আনি।বর্ষা কালেই এসব জাল দিয়ে মাছ শিকার বেশি হয়ে থাকে। বর্ষা মৌসুমে এসব জালে মাছ বেশি ধরা পড়ে থাকে। শুষ্ক মওসুমে তেমন মাছ ধরা পড়ে না।এসব জাল দিয়ে আমরা বর্ষা মওসুমে মাছ শিকার করি।ডাকাতিয়া নদীতে আমাদের মতো প্রায় হাজারের উপরে চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকারি রয়েছে।
এব্যাপারে মোবারক, হাবিব খান, শিমু, ইকবাল, মামুন, শাহজাহান, জুয়েল, বারেক খান বলেন, চায়না জালের বিরুদ্ধে নামে মাত্র অভিযান দেওয়া হয় বললে চলে। অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পেছন দিয়ে পুনরায় জেলেরা নদীতে নেমে যায়।গত বছর যে কদিন অভিযান করেছে এর মধ্যে ৫০ জন মাছ শিকারী থাকলে সেখানে ১০/১৫ জন জেলের জাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এভাবে কয়েদিন অভিযান করা হয়।বাকি পুরো বর্ষায় আর অভিযান করা হয়নি।এসব চায়না জাল দিয়ে ছোট মাছের রেনু পোনাসহ সকল ধরনের মাছের পোনা নিধন করা হচ্ছে। এসব রেনু পোনা নিধন করার কারণে ডাকাতিয়া নদীতে মাছের আকাল দেখা দিয়েছে। মাছের সংকট দূরীকরণে ও মাছের পোনা রক্ষা করার জন্য অভিযান জরুরি।
এব্যাপারে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মাছের পোনা রক্ষা করার জন্য ডাকাতিয়া নদীতে অভিযান করা হবে।

