
সুমহান ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিবস
পবিত্র মুহররমুল হারাম মাসের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা শরীফ। এটি মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত সম্মানিত, রহমত ও বরকতময় একটি দিন। এ দিনে বিশ্বজগতে অনেক মহান ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
সর্বপ্রথম, এ দিনে মহান আল্লাহ পাক হযরত মুসা আলাইহিস সালাম ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের নির্যাতন থেকে রক্ষা করেছিলেন এবং লাল সাগর বিভক্ত করে পথ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া অনেক নবী-রাসূলের সাথে সম্পর্কিত মহান ঘটনাবলি এ দিনের সাথে জড়িত।
সর্বোপরি, এ দিনটি সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সিবতু রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় দৌহিত্র)-এর মহান শাহাদাতের দিন। কারবালার প্রান্তরে অন্যায়, জুলুম ও বাতিলের বিরুদ্ধে হক ও সত্যের পতাকা উড়িয়ে তিনি শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া এবং হকের উপর অটল থাকা।
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে: “তোমরা মুহররম মাসের পবিত্র আশুরা শরীফকে সম্মান করো। যে ব্যক্তি আশুরা শরীফকে সম্মান করবে, মহান আল্লাহ পাক তাকে জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দিয়ে সম্মানিত করবেন।” (সুবহানাল্লাহ!)
এ দিনে রোজা রাখা, দান-সদকা করা, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির-আসকার ও বিশেষ মাহফিলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত, বরকত, সাকীনাহ ও ইতমিনান লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সকলে হকের উপর দৃঢ় থাকুন।
মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে পবিত্র আশুরা শরীফের ফজিলত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন

