
ইব্রাহিম কাজী :
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২০ টাকার লটারির প্রতি উদ্বেগজনক আসক্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক যুবক প্রতিদিন শতাধিক লটারির টিকিট কিনছেন, আশায় থাকছেন একদিন হয়তো ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা হারাচ্ছেন তাদের কষ্টার্জিত অর্থ।
এমন একজন যুবক প্রতিদিন প্রায় ১০০টি লটারির টিকিট কিনছেন। পরিবার ও স্বজনদের নানা অনুরোধ-উপদেশও তাকে এই নেশা থেকে ফেরাতে পারছে না। তবে তিনি একা নন, লটারির এই আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন শত শত যুবক, দিনমজুর, ভ্যানচালক, কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষ।
সামান্য বিনিয়োগে বড় পুরস্কার পাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে লটারি অনেককে আকৃষ্ট করলেও, অধিকাংশ মানুষের জন্য এটি হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ। অনেক পরিবারে দেখা দিয়েছে আর্থিক সংকট, সংসারে অশান্তি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা।
সচেতন মহলের মতে, কর্ম ও পরিশ্রমের বিকল্প কোনো শর্টকাট নেই। তাই লটারির মোহ থেকে বেরিয়ে এসে যুব সমাজকে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সৃজনশীল কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
অন্যথায় এই নেশা আরও অনেক পরিবারকে সর্বস্বান্ত করে দিতে পারে।

