
সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ :
ঝিনাইদহ পৌরসভায় লুৎফর রহমানের নতুন কোটপাড়া এলাকায় একটি বিল্ডিং নির্মাণ কার্যক্রম সরকারি নিয়ম ও নীতি অমান্য করে পরিচালিত হচ্ছে। পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কাজ চালানোর ঘটনায় গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সার্ভেয়ার সবুজ এই পুরো প্রক্রিয়ায় ভূমিকা পালন করছেন বলে এলাকাবাসী ও অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে এসেছে।
স্মারক নম্বর ৯০২ (নয়শতদুই) তারিখ ৪-৫-২৫ এবং স্মারক নং ৯৭৬ তারিখ ২৬-৬-২৫ মারফত লুৎফর রহমানকে নতুন কোটপাড়া এলাকার বিল্ডিং ইমারত নিয়ন্ত্রণ অধ্যায়ের ৩৫ (১) (২) ধারা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
তবে এই চিঠি পাওয়ার পরও বিল্ডিং মালিক পৌরসভাকে উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যান।
স্মারক নং ১২৮৭ (বারশতসাতাঝিনাইদহ পৌরসভার সার্ভেয়ার সবুজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
১৯.০৩.২০২৬
ঝিনাইদহ পৌরসভায় লুৎফর রহমানের নতুন কোটপাড়া এলাকায় একটি বিল্ডিং নির্মাণ কার্যক্রম সরকারি নিয়ম ও নীতি অমান্য করে পরিচালিত হচ্ছে। পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কাজ চালানোর ঘটনায় গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সার্ভেয়ার সবুজ এই পুরো প্রক্রিয়ায় ভূমিকা পালন করছেন বলে এলাকাবাসী ও অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে এসেছে।
শি)তারিখ ২২-৯-২৫-এ বিল্ডিংয়ের নিয়ম বহির্ভূত অংশ ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তার পরেও লুৎফর রহমান পৌরসভার আইন অমান্য করে কাজ অব্যাহত রাখেন।
বেজমেন্ট ঢালাইয়ের সময় সিটি কর্পোরেশন প্রথম চিঠি দেয় কাজ বন্ধের জন্য।
এই সময় পৌরসভার ড্রাফটসম্যান সবুজ ২ (দুই)লাখ টাকা গ্রহণ করে কাজ চালানোর সুযোগ দেন।
পরে ২৬-৬-২৫ তারিখে পৌরসভা দ্বিতীয়বার কাজ বন্ধের নোটিশ প্রদান করেন। পুনরায় সবুজ ২ (দুই)লাখ টাকা অনৈতিকভাবে গ্রহণ করে কাজ চালানোর সুযোগ করে দেন।
সর্বশেষ স্মারক নং ৯৭৬ তারিখ ২৬-৬-২৫ অনুযায়ী নিয়ম বহির্ভূত অর্ধিতাংশ ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হলেও সবুজ ৩ লাখ টাকা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।
বিল্ডিং নক্সা অনুযায়ী প্রথমে ৩ ফিট, পরে ৭.৬ ফিট রাস্তা ছেড়ে নির্মাণ করতে হবে।
কিন্তু দেখা গেছে, ৭.৬ ফিট রাস্তা ছাড়া হয়নি
বিল্ডিংয়ের ছাদ রাস্তার উপরে ঢালাই হয়েছে, যা পানি পড়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।
রাস্তার ৩ ফিট, সুয়ারেজ, টেলিফোন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইনের জন্য জমি ছেড়ে কাজ করার কথা থাকলেও তা অমান্য করা হয়েছে।
প্রতিবেশীরা ৭-৪-২৫ তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
২২-৯-২৬ তারিখে বিল্ডিংয়ের বর্ধিতাংশ ভাঙার আদেশ প্রদান করা হলেও মালিক বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সার্ভেয়ার সবুজ এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী বিল্ডিং মালিককে ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।
৯-৩-২৬ তারিখে সাংবাদিক, ড্রাফটসম্যান সবুজের ৭ লাখ টাকা উৎকোচ নেয়ার ব্যাপারে তদন্ত চেয়ে পৌরসভা প্রশাসককে আবেদন করেন।
সবুজ সরাসরি বিল্ডিং মালিককে কাজ চালাতে সাহায্য করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পৌরসভা যতবার কাজ বন্ধের নোটিশ দিয়েছে, ততবারই সবুজ টাকা হাতিয়ে কাজ চালানোর ব্যবস্থা করেছেন।
এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ এবং প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, কাজী লুৎফর রহমান পৌরসভার নীরব সম্মতিতে বা সার্ভেয়ার সবুজের সহযোগিতায় কাজ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে আরো
সাংবাদিক জানতে চাইলে পৌরসভার প্রশাসক মোঃ কামাল উদ্দিন বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

