নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জার—যিনি সারা জীবন নিজের কষ্টের কথা ভুলে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কাজ করেছেন। তিনি কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাজনীতিবিদ নন, বরং একজন খাঁটি ও নিবেদিতপ্রাণ সাংস্কৃতিক কর্মী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘জিসাস’-এর মিডিয়া শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং নিজের আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছেন।
জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জার এর ছেলে রুবেল খন্দকার দৈনিক জন জাগণকে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন,
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না, গত দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজের শরীরের অসুস্থতাকে তোয়াক্কা না করে প্রচারণায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। নিজের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকুও তিনি নেননি, বরং সুস্থ গণতন্ত্র আর মানুষের অধিকারের পক্ষে কাজ করে গেছেন। আজ সেই অক্লান্ত পরিশ্রম আর নিজের প্রতি অবহেলার কারণেই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন।
দলের নেতাকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ—আমার বাবা একজন মাঠপর্যায়ের যোদ্ধা হিসেবে তাঁর সেরাটা দিয়েছেন। আমাদের কোনো আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন নেই, আমরা শুধু চাই তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন এবং সম্মানটুকু।
দলের নীতিনির্ধারক, শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিশেষ করে তারেক রহমান (Tarique Rahman) সাহেবের কাছে আমার আকুল প্রত্যাশা—আপনারা এই লড়াকু সাংস্কৃতিক কর্মীকে একবার সশরীরে এসে দেখে যাবেন এবং তাঁর খোঁজখবর নেবেন। আপনাদের এই সামান্য সময় এবং ভালোবাসা তাঁর জন্য হবে জীবনের সবচেয়ে বড় মানসিক শক্তি ও প্রাপ্য সম্মান।
সেই সাথে দেশের সকল সংবাদ মাধ্যম, টিভি চ্যানেল এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—হাসির জাদুকর এই নিভৃতচারী শিল্পীর ত্যাগ ও বর্তমান অবস্থা কি দেশবাসীর কাছে পৌঁছাবে না? একজন শিল্পীর শেষ বয়সের এই লড়াইয়ে আপনারা কি তাঁর পাশে থাকবেন না?
সবশেষে সবার কাছে আমার আকুল আবেদন, আমার বাবার জন্য প্রাণভরে দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে আবার আমাদের মাঝে হাসিমুখে ফিরিয়ে আনেন।
একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে সবার কাছে দোয়া ও মনোযোগ প্রার্থনা করছি।