
নিজস্ব প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার বড়োগান্দিয়া গ্রামে একটি চাঞ্চল্যকর ও অভিনব ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুইজন ভণ্ড কবিরাজের কারসাজিতে মাটির নিচে থাকা গুপ্তধন উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, কথিত কবিরাজদের একজনের নাম শাহজাহান। তিনি একটি নারীর ওপর ‘জিন ভর করেছে’ এমন ভ্রান্ত বিশ্বাস তৈরি করে এই অসাধু কর্মকাণ্ড চালান। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শাহজাহান কবিরাজ মিতা নামের এক তরুণীর ওপর কুফরি ও তথাকথিত জ্বীন প্রয়োগ করে তাকে ব্যবহার করে গুপ্তস্থানের সন্ধান পান এবং সেখান থেকে গুপ্তধন উত্তোলন করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে ওই ভণ্ড কবিরাজদের আটক করে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, আটক হওয়ার আগেই তারা উত্তোলিত গুপ্তধন অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—এই পুরো কর্মকাণ্ডে স্থানীয় প্রশাসনের একটি অংশ সহযোগিতা করেছে বলে এলাকাবাসী মনে করে।
এলাকাবাসী আরও জানান, মিতা নামের ওই তরুণীর ওপর দীর্ঘদিন কুফরি কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে, যার ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে গুরুতর ক্ষতির শিকার হন। এমনকি তাকে অন্ধ করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দাবি জানান, ভণ্ড কবিরাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে দেশের গুপ্তধন ও সাধারণ মানুষকে রক্ষায় দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।

