
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি (Human Rights Review Society)। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসাকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকার পর তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা বৃদ্ধিতে এটি সহায়ক হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি আরও জানায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক নেতাদের নির্বিঘ্নে নিজ দেশে অবস্থান করার অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন সেই অধিকারের স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। সংস্থাটি আশা প্রকাশ করে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটবে এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।
সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি, সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য সমান সুযোগ ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেই পথকে আরও সুগম করবে।”
এ সময় তারা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে ফিরে আসা সব রাজনৈতিক নেতার নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংস্থাটি।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার এই স্বাগত বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা বহন করছে। এটি শুধু একটি ব্যক্তির প্রত্যাবর্তন নয়, বরং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
শেষাংশে হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জানায়, তারা ভবিষ্যতেও দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

