
সুজা মিয়া :
এই প্রতারক মেয়েটির নাম মোসাম্মৎ শারমিন আক্তার। বাসা দিনাজপুর সদর। কিছুদিন আগে এই মেয়েটি দীর্ঘদিন ধরেতুলসীঘাট একটি ভাড়া বাসায় ভাড়া থাকতো। মাঝে মাঝে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে আসতো। এসে বিভিন্ন জনকে বলতো যে আমি সদর হাসপাতালে খুব একটা বড় চাকরি করি।
হাসপাতালে আমি অনেক লোক নেব। এই প্রলোভন দেখিয়ে এই প্রতারক মেয়ে বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে সুন্দর জাহান মোড়ের পাশে একটি বাসায় গিয়ে বাসার মালিক কে ধর্মবোন বানায়। এই ধর্ম বোনের বাসায় বেশ কিছুদিন চলাফেরা করে। বাসার মালিকও ওকে আপন ভেবে নেয়। কিন্তু এই প্রতারক মেয়ের মধ্যে যে এই কাজ লুকিয়ে আছে তা বাসার মালিক জানতো না।
হঠাৎ একদিন ধর্ম বোনকে বলছেন যে আপা আমি এখানে বেড়াতে যাব। তোমার চেইনআর তোমার কানের জিনিসগুলো আমাকে দিতে হবে। আমি একটি জায়গাতে বেড়াতে যাব। এসেই তোমাকে দিয়ে দেবো। ধর্ম বোন সরল বিশ্বাসে ওকে কানের জিনিস এবং সেই ন দিয়ে দেয়। চেনের ওজন হচ্ছে আট আনা। আর কানের জিনিষের ওজন হচ্ছে চার আনা স্বর্ণের। ধর্ম বোন বাসায় না থাকায় যাওয়ার সময় এই প্রতারক মেয়ে শোকেসের ড্রয়ারে থাকা এক লক্ষ টাকা নিয়ে গাইবান্ধা থেকে উধাও হয়ে যায়। তারপর থেকে ওকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়েছে কোথাও পাওয়া যায়নি। তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই মেয়েকে যেখানেই পাওয়া যায় একে ধরে এনে আইনের আওতায় দেওয়া হোক।

