
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি ধাপে ধাপে সারাদেশে মনোনয়ন ঘোষণা করছে। ইতোমধ্যে ২৩৭টি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে, কিছু আসন শরিক দলের জন্য রাখা হলেও ঢাকা–১৮ নিয়ে দলে চলছিল নানা জল্পনা–কল্পনা, গ্রুপিং ও ভেতরকার হিসাব–নিকাশ। অবশেষে দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে—ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনই হচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাই কমান্ড একাধিক জরিপ, মাঠপর্যায়ের তথ্য, স্থানীয় নেতা–কর্মীদের মতামত ও ভোটারদের পছন্দ বিশ্লেষণ করেছে। সেখানেই সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। জানা গেছে, অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় তিনি ৭৮ শতাংশ ভোটারের সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছেন, যা তাঁকে এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।
জনপ্রিয়তার কারণ:
১৭ বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকা–১৮-এ লাগাতার আন্দোলনের নেতৃত্ব
BNP আন্দোলন, গণআন্দোলন, বিরোধী রাজনীতি—সবক্ষেত্রে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা
এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং মানবিক কর্মকাণ্ড
দলের সুসংগঠিত কাঠামো তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা
গ্রুপিং মোকাবিলা করে তৃণমূলের আস্থা অর্জন
স্থানীয়রা মনে করেন, ঢাকা–১৮ এর রাজনীতিতে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের বিকল্প নেই। দীর্ঘদিনের নির্যাতন, মামলা, হামলা সত্ত্বেও তিনি এলাকা ও দলকে ছাড়েননি—এটিই তাঁর জনপ্রিয়তার বড় কারণ।
দলীয় নির্দেশনা: জনসংযোগ বাড়াতে প্রস্তুত জাহাঙ্গীর
দলীয় উচ্চপর্যায়ে ইতোমধ্যে তাকে জনসংযোগ আরও জোরালো করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তার এলাকাব্যাপী গণসংযোগ—বাজার, মহল্লা, ব্যবসায়ী সংগঠন, মসজিদভিত্তিক যোগাযোগ—আরও গতি পাবে বলে জানা গেছে।
তৃণমূল নেতা–কর্মীদের ভাষ্য—
“যে মানুষটা দীর্ঘ বছর ধরে আন্দোলনে সামনে থাকলো, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়লো, মামলা–হামলায় নিরবচ্ছিন্ন থেকেও এলাকা ছাড়েনি… তার চেয়ে যোগ্য প্রার্থী আর কেউ হতে পারে না।”
জল্পনার শেষ, ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা
যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে দলীয় অভ্যন্তরের অবস্থান স্পষ্ট—
ঢাকা–১৮ এ ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
বিএনপি ঘোষণার জন্য এখন কেবল আনুষ্ঠানিক সময় নির্ধারণ করছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

