
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-১৫ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো এক নজিরবিহীন বিশাল শোডাউন। সরকারি আয়ুর্বেদিক কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি তালতলা প্রদক্ষিণ করে শেওড়াপাড়ায় এসে শেষ হয়।
পুরো এলাকা জুড়ে ছিল মানবসমুদ্রের ঢল—প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এতে অংশ নেয়। হাতে ধানের শীষের পতাকা, গলায় স্লোগান—“ভোট চাই, অধিকার চাই”, “শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নেতৃত্বে পরিবর্তন চাই”—এই শ্লোগানে মুখর ছিল ঢাকা-১৫ আসনের আকাশ-বাতাস।
বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, তাঁতি দল, শ্রমিক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মী এতে অংশ নেন।
🔹 মিল্টনের অঙ্গীকার: “ঢাকা-১৫ হবে গ্রীন ঢাকা, ক্লিন ঢাকা”
শোভাযাত্রার আগে জনসভায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন,
“দীর্ঘ ১৭ বছর জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। মানুষ আজ ভোট দিতে চায়, পরিবর্তন চায়। আমি এই আসনকে একটি গ্রীন ঢাকা, ক্লিন ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে ঢাকা-১৫ হবে একটি মডেল সিটি—যেখানে উন্নয়ন ও সেবা হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যাবে।”
তিনি আরও বলেন,
> “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। জনগণকে ভালোবাসি, তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চাই। এই আসনকে মাদক, দুর্নীতি ও বেকারত্বমুক্ত করে একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গড়ব।”
🔹 প্রতিপক্ষকে সতর্কবার্তা: “জামায়াত ভোটে বিশ্বাসী নয়”
সমাবেশে তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামের আমির ড. শফিকুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
“জনগণ যাকে ভোট দেয়, সেই হবে এই এলাকার প্রতিনিধি। কিন্তু জামায়াত ভোটে বিশ্বাসী নয়। তারা কখনো পিয়ার, কখনো গণভোটের নামে ভোটকে বিলম্বিত করার চক্রান্ত করছে। আমি স্পষ্ট করে বলছি—এবার জনগণকে ভোট থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করলে তার ফল হবে ভয়াবহ।”
🔹 কঠোর হুঁশিয়ারি: “বিগত শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট সরকার যদি সহিংসতা করে, তা কঠোর হাতে দমন করা হবে”
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,
> “বিগত শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট সরকার যদি আবারও জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায়, কিংবা বিএনপি ও ধানের শীষের নেতাকর্মীদের ওপর কোনো ধরনের সহিংসতা চালায় — তবে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। জনগণ প্রস্তুত আছে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী, কিন্তু অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে জানে।”
🔹 পরিবর্তনের প্রতীক মিল্টন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঢাকা-১৫ আসনে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এখন নিঃসন্দেহে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মাঠে ছিলেন আন্দোলনে, ছিলেন মানুষের পাশে, ছিলেন সংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচিতে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “মিল্টন ভাই শুধু রাজনীতিক নন, তিনি আমাদের পরিবারের একজন। তিনি এলাকার তরুণদের অনুপ্রেরণা।”
একজন প্রবীণ ভোটার বলেন,
“মিল্টন ভাইকে আমরা বহুদিন ধরে চিনি। তিনি উন্নয়নের প্রতীক, সাহসী নেতৃত্বের প্রতীক। এবার ধানের শীষের জয় অনিবার্য।”
🔹 ঐক্যের ডাক ও ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ
সমাবেশে মিল্টন আরও ঘোষণা দেন,
“ঢাকা-১৫ হবে ঐক্যের আসন। আমি চাই বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দল সবাই একসাথে কাজ করুক। আগামী দিনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণ এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাদের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনবে।
🔹 উপসংহার
ঢাকা-১৫ আসনে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের এই মহাশোডাউন প্রমাণ করেছে—ধানের শীষের পক্ষে এখনো ঢাকাজুড়ে প্রবল গণজোয়ার রয়েছে।
জনগণ পরিবর্তন চায়, তারা নেতৃত্ব চায় একজন সৎ, সাহসী ও উন্নয়নমুখী নেতার — যার নাম শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
তিনি বলেছেন—
> “আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি, তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেব। পরিবর্তন এবার হবেই, ইনশাআল্লাহ।”

