
মোঃ জাহিদ হোসেন জিমু-গাইবান্ধা :
গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন হেডকোয়ার্টার সংলগ্ন বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজটি ১৯৯৬ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফুলছড়ি উপজেলা সদর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে অত্র উপজেলার মধ্যবর্তী শানে ২০০৫ খ্রীষ্টাব্দে প্রশাসনিক ভবনসহ সকল দপ্তর বর্তমান বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের গাঁ ঘেঁষে অত্র এলাকায় শানান্তরিত হয়। ২০০৭ সালের তত্ত্ববাবধায়ক সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ পরিকল্পনায় সারা দেশে সরকারি স্কুল ও কলেজ বিহীন উপজেলায় একটি স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের লক্ষ্যে মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে সারা বাংলাদেশে ৩১৫টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে। উল্লেখ্য বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত যাচাই বাছাই করে বুড়াইল স্কুল এন্ড কলেজটি কে মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন। ২০০৮ ইং সালের পর নির্বাচিত সরকার সারাদেশে প্রত্যেক উপজেলায় একটি স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে মডেল প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয়করণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ৩১৫টি মডেল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭৮ টি মডেল প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়। সাবেক ডেপুটি স্পিকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি, বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজটি রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থে সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা বশতঃ উপজেলা সদর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে উপজেলার সর্বশেষ প্রান্তে সাঘাটা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি স্কুল ও কলেজ জাতী-য়করণের জন্য মন্ত্রনালয়ে সুপারিশ করেন। যার ফলে সমগ্র উপজেলাবাসি জাতীয়করণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব ইব্রাহিম আকন্দ সেলিম বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ২০০০ এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী অধ্যায়ন করে এবং পাবলিক পরীক্ষার কেন্দ্র রয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করা হয়। ফুলছড়ি উপজেলার মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল সর্বাগ্রে ৮০% এর উপরে বরাবরই অবস্থান করে। উপজেলা হেডকোয়ার্টার সংলগ্ন কোন সরকারি স্কুল কলেজ না থাকার কারণে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী গণের সন্তানেরা সরকারি প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যার ফলে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি বাসভবন থাকা সত্বেও কোন কর্মকর্তা কর্মচারী পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেন না।

