
নিজস্ব প্রতিনিধি :
মাদারীপুর-৩ (কালকিনি, ডাসার ও কালিয়ারপুর) আসনে বিএনপি-জামায়াত সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্তে আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের নাম ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের পক্ষ থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে প্রভাবিত করে খোকন তালুকদারকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতারা অবমূল্যায়িত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী খন্দকার মাসুকুর রহমান মাসুক, মেজর (অবঃ) রেজাউল করিম, এবিএম মাহমুদ, আসাদুজ্জামান পলাশ এবং প্রবীণ রাজনীতিক মেজর (অবঃ) নূর আলমের মতো অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত খোকন তালুকদারকে মনোনয়ন দেওয়া দলীয়ভাবে বড় ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত।
তৃণমূলের একাধিক নেতার দাবি—খন্দকার মাসুকুর রহমান মাসুক হচ্ছেন এলাকার জনপ্রিয়, যোগ্য ও ত্যাগী নেতা। তার নেতৃত্বেই বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। অথচ তার মতো নেতৃত্বকে উপেক্ষা করে নানা অভিযোগে জর্জরিত খোকন তালুকদারকে প্রার্থী করা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও মামলা বানিজ্যের অভিযোগে বিতর্কিত।
এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে—
“তাহলে কি এবার কালকিনি তথা মাদারীপুর-৩ আসনে জামায়াতই ইতিহাস গড়তে চলেছে?”
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশ ইতোমধ্যে খন্দকার মাসুকুর রহমান মাসুকের নেতৃত্বে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মাঠে নেমেছেন।
👉 রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সমন্বয়ে ভেতরকার দ্বন্দ্ব আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে, যা আসন্ন নির্বাচনে বিরোধী জোটের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

