
নিজস্ব প্রতিনিধি :
দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে মামলার বোঝা, নির্যাতন ও আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারির ভূমিকার জন্য তিনজন নেতাকে “ত্যাগের প্রতীক” হিসেবে দেখছেন তারা।
হাবিব-উন-নবী খান সোহেল
৪৫১টিরও বেশি মামলার আসামি এই নেতা বছরের পর বছর কোর্টের বারান্দায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সব সময় ছিলেন সামনের কাতারে। নির্ভীক, সাহসী ও দলের প্রতি নিবেদিত এই নেতা প্রতিটি গণআন্দোলনে নিজের অবস্থানকে অটুট রেখেছেন।
এস. এম. জাহাঙ্গীর
৩০০টিরও বেশি মামলা মাথায় নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন এই ত্যাগী নেতা। রিমান্ডের নামে বারবার অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবুও দমে যাননি, বরং প্রতিবারই সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলের প্রতি আনুগত্যের প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি।
মামুন হাসান
৩৮৬টিরও বেশি মামলা নিয়ে টানা ১৫ বছরেরও বেশি সময় ঘরছাড়া জীবন কাটাচ্ছেন। বিএনপির রাজনীতি করার অপরাধে হারিয়েছেন পারিবারিক শান্তি ও স্বাভাবিক জীবন। মা, বাবা ও বড় ভাইয়ের মৃত্যুর সময় পর্যন্ত দেশের মাটিতে উপস্থিত হতে পারেননি। তৎকালীন পুলিশ বাহিনীর নির্যাতনে তার পরিবার চরম ভোগান্তির শিকার হয়। গ্রেফতার হন তার বোন, ভাবি, ভাতিজা-ভাতিজীরাও। এমনকি মিরপুর থানার তৎকালীন ওসি সালাউদ্দীনের ক্রসফায়ারের হুমকিও পান তিনি।
ছাত্রজনতার জুলাই আন্দোলনসহ প্রতিটি গণআন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মামুন হাসান।
ত্যাগ ও নির্যাতনের প্রতীক
বিএনপির রাজনীতির কারণে এই তিনজন নেতার পরিবার-পরিজন বছরের পর বছর জেল ও কোর্টের জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীরা বলছেন, “ত্যাগ ও নিষ্ঠার এই নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি।”

