
মোঃ গোলাম রব্বানী-স্টাফ রিপোর্টার :
অবসর ভাতা ও আনুতোষিক প্রাপ্তিতে ভোগান্তি, পরিবার পরিজন নিয়া মানবেতর জীবনযাপন করছেন উপজেলা কৃষি অফিস, মোংলা, বাগেরহাট এর উচ্চমান সহকারী জনাব মীর জাকির হোসেন।
ভূক্তভোগী জানায়, তিনি স্বেচ্ছায় ০১/০১/২০২৪ খ্রীঃ তারিখ হতে ৩১/১২/২০২৪ খ্রীঃ তারিখ পর্যন্ত এক বছর পি আর এল ছুটি ভোগ করেন। পি আর এল থাকাকালীন অবস্থায় উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসার, মোংলা বাগেরহাট কর্তৃক ০৫/০২/২০২৪ খ্রীঃ তারিখের ৬১ নং স্মারকে তার ই, এল, পি, সি প্রদান করেন। সে মোতাবেক অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খুলনা তাহার ১৮/০২/২০২৪ খ্রীঃ তারিখের ২৭৩ নং স্মারকে তাহার লাম্বগ্রান্ট মঞ্জুর করেন। উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসার, মোংলা, বাগেরহাট কর্তৃক উক্ত লাম্বগ্রান্ট এর বিল ১৯/০২/২০২৪ খ্রীঃ তারিখে পরিশোধ করেন।অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খুলনার ২০/০১/২০২৫ খ্রীঃ তারিখের ১৪২ নং স্মারকে তাহার অবসর ভাতা ও আনুতোষিক মঞ্জুর করেন এবং যথারীতি উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসার, মোংলা, বাগেরহাট বরাবর প্রেরন করেন।
দীর্ঘ দেড় মাস পর ব্যাক ডেটে তিনি নিয়োগ বিধি ১৯৮৫ উল্ল্যেখ পুর্বক একটি আপত্তি প্রদান করেন, যাহাতে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন (ওভারড্রোন) দেখানো হয়েছে, অথচ নিয়োগ বিধি- ২০১৫ গেজেটের ৭ নং ক্রমিকের ২ নং অনুচ্ছেদে পরিস্কার ভাবে ইহার স্পষ্ট করন করা হইয়াছে। তিনি যে পদ হইতে পদোন্নতি পেয়ে উচ্চমান সহকারী হয়েছেন, সেখান থেকে নিম্নপদের বেতন দেখিয়ে আপত্তিটি প্রদান করা হয়েছে।
অথচ তাহার চাকুরী বহিতে দেখা যায় বিভিন্ন উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসার ও বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক,খুলনা বিভাগ,খুলনা কর্তৃক তাহার সরকার ঘোষিত সকল জাতীয় বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারন সহ পদোন্নতি পদের বেতন নির্ধারন ও টাইম স্কেলে বেতন নির্ধারন করেছেন।আরো জানা যায়, একইভাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত উপজেলা কৃষি অফিস, তেরখাদা, খুলনার অফিস সহকারী জনাব মোঃ শাহজাহান আলী, ডুমুরিয়া উপজেলার জনাব বিধান মন্ডল, উচ্চমান সহকারী,কয়রা উপজেলার জনাব কাজী জাফর উল্লাহ, উচ্চমান সহকারী ও ফুলতলা উপজেলার জনাবা রহিমা খানম, উচ্চমান সহকারী অবসর গ্রহন করেছেন, তাদের কোন অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন (ওভারড্রোন) হয় নাই। এমতাবস্থায়,ভূক্তভোগী নয় মাস যাবত অবসর ভাতা ও আনুতোষিক না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়া মানবেতর জীবনযাপন করিতেছেন।
এ ব্যাপারে তিনি উর্ধত্তন কর্তৃপক্ষের নিকট আশু ব্যবস্থা কামনা করছেন।

