রাজধানীর উত্তরা জসীমউদ্দীন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রবিউল আলম রাজু (বিডিআর রাজু) এবং সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার রিপোর্টার সাকিবুল হাসান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
জানা যায়, বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে জসীমউদ্দীন এলাকায় একটি বাস/ট্রাক এর সঙ্গে সংঘর্ষে তারা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় দৈনিক জন জাগরণ পত্রিকা পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
উত্তরা জসীমউদ্দীন এলাকায় একটি বাস/ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে সামনাসামনি ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখে বাসায় ফিরছিলেন।
রাজধানীর উত্তরায় বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখে বাসায় ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের জসিমউদ্দীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দ্রুতগতির একটি বাস তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তারা। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন দৈনিক প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক রবিউল আলম রাজু এবং সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার সাংবাদিক সাকিবুল হাসান। সাংবাদিক মহলে পরিচিত দুই মুখের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রবিউল আলম রাজু উত্তরা প্রেসক্লাবের আপ্যায়ন সম্পাদক এবং সাকিবুল হাসান অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার গভীর রাতে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেন তারা। খেলা শেষে ভোরে বাসায় ফেরার পথে জসিমউদ্দীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগতির বাস তাদের চাপা দেয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর জানান, দুর্ঘটনার পর বাসচালক গাড়িসহ পালিয়ে গেছে। বাসটি শনাক্ত এবং চালককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে এ দুর্ঘটনা গভীর শোকের জন্ম দিয়েছে। সহকর্মী, সাংবাদিক সংগঠন এবং বিভিন্ন মহল এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিহত দুই সাংবাদিকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।
ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ-এর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,
“এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা নেই। প্রায় ১২ বছর একসঙ্গে সাংবাদিকতা করেছি। গতকালও যার মোটরসাইকেলের পেছনে আমার থাকার কথা ছিল। কীভাবে তাঁর পরিবারের মুখোমুখি হব, কী সান্ত্বনা দেব—তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।”
সাংবাদিক মহলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও সহকর্মীরা নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।