
মুসলিম উদ্দীন,
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটি সড়ক দু’র্ঘ’ট’না বদলে দিয়েছে ফখরুল ইসলাম অনিকের পুরো জীবন। যে মানুষটি প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতেন, আজ তিনি হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে দিন গুনছেন। দু’র্ঘ’ট’না’য় তার দুটি পা কে’টে ফেলতে হয়েছে। এখন চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে অর্থাভাবে।
গত ২৩ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিরসরাই থানা সংলগ্ন এলাকায় একটি লরির ধা’ক্কা’য় গু’রু’ত’র আ’হ’ত হন অনিক। প্রথমে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শ্যামলী পঙ্গু হাসপাতালের নিকটবর্তী ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও তার জীবন বাঁচাতে দুটি পা কে’টে ফেলতে হয়।
অনিকের পরিবার জানায়, রিকশা চালানোই ছিল তার একমাত্র উপার্জনের পথ। সেই পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে। চিকিৎসা ব্যয়, ওষুধ এবং পরবর্তী পুনর্বাসনের খরচ বহন করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
দুর্ভাগ্য যেন এই পরিবারটির পিছু ছাড়ছে না। কয়েক মাস আগেই একই এলাকায় সড়ক দু’র্ঘ’ট’না’য় আ’হ’ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান অনিকের ছোট ভাই, যিনি মিরসরাই লতিফিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। একের পর এক দু’র্ঘ’ট’না’য় পরিবারটি আজ ভে’ঙে পড়েছে।
হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে অনিক এখন শুধু নিজের নয়, পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়েই উদ্বিগ্ন। অসহায় এই মানুষটি মিরসরাইবাসীসহ দেশের সকল হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন।
আপনার সামান্য সহায়তাও হয়তো একটি পরিবারের বেঁচে থাকার অবলম্বন হতে পারে।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম:
📱 বিকাশ: ০১৮৩৬১০২৫৪২
📱 নগদ (মামা):০১৮১৮৯৪৭৩৩৭
রোগীর পরিচয়:
ফখরুল ইসলাম অনিক
পিতা: গিয়াস উদ্দিন
মাতা: মোমেনা আক্তার
৫ নম্বর ওয়ার্ড, মিরসরাই পৌরসভা
মিরসরাই, চট্টগ্রাম।

