
আবুসুফিয়ান-সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডে নির্মিত এলিট টাওয়ারকে কেন্দ্র করে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ এসপি অফিসের সাবেক স্টেনোটাইপিস্ট খাদেমুল ইসলাম ও হিসাবরক্ষক হেদায়েত উল্লাহ গং ৬ তলার অনুমোদন নিয়ে পৌর ইমারত নির্মাণ আইন অমান্য করে ৮ তলা ভবন নির্মাণ করেন এবং এবং ঢাকা ফায়ার সার্ভিসে নকশা অনুমোদনের জন্য অনেক টাকা ঘুষ দিয়েছেন মর্মে ভবন মালিক রজব আলীর স্বীকারোক্তিমুলক বক্তব্যের অডিও রেকর্ড রহিয়াছে যা তদন্তপূর্বক যাচাই করা প্রয়োজন।
এই নেক্কার জনক কাজে অভিযোগকারী প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন।
অভিযোগ পৌর সভার মেয়র,নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর নগর পরিকল্পনা বিদ, পৌর প্রশাসক,উপ-পরিচালক স্হানীয় সরকার শাখা সিরাজগঞ্জ, জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ।
জানা যায়, ২০২২ সালের এপ্রিলে পৌর নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আনিসুর রহমান সরেজমিন তদন্ত করে ভবন নির্মাণে সেটব্যাক রুলস অনুসরণ না হওয়ার বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।
এছাড়া ৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে তৎকালীন পৌর মেয়র ভবনের অবৈধ অংশ অপসারণের নির্দেশ দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার মেলেনি। উক্ত বিষয়ে স্হানীয় পত্রিকায় বারবার প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সীমিত বেতনের চাকরি করেও কীভাবে কোটি টাকার সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব? তাই সংশ্লিষ্টদের আয়-ব্যয়ের উৎস, সম্পদের বৈধতা এবং ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে সত্য উদঘাটনের দাবি উঠেছে।
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

