
দীপক শর্মা-ঠাকুরগাঁও
জানাযায় লাখো মানুষের উপস্থিতি থাকলেও মাজহারুল ইসলাম সুজনের বক্তব্যের সময় জানাযা প্রাঙ্গনে ছিল পিনপতন নীরবতা। যেন কেউ নেই। সবাই স্তব্ধ হয়ে তার বক্তৃতা শুনছিল। তার সাথেই কাঁদছিল।
বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-২ আসনের ৭ বারের সাংসদ ছিলেন। করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০২০ সালে। এরপর থেকে নানা শারিরীক জটিলতা। তাই সর্বশেষ নির্বাচনে ছেলে সুজন নির্বাচন করেন এবং নির্বাচিত হন। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাবা-ছেলে দুজনকেই গ্রেপ্তার করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মারাত্মক অসুস্থতা সত্ত্বেও চলাফেরায় অক্ষম থাকা সত্ত্বেও জামিন দেওয়া হয়নি বাবাকে। কিছুদিন আগে মুক্তি পান তিনি। তবে শুধু কারাগার থেকে নয়, দুনিয়া থেকেও মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
বাবাকে খুবই ভালোবাসতেন মাজহারুল ইসলাম সুজন। আজ বাবার শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তিতে বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বারবার কেঁদেছেন তিনি। তার সাথে কেঁদেছে ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বস্তরের মানুষ।
মহান সৃষ্টিকর্তা সকল বাবাকে ভালো রাখুক।

