
নিজস্ব প্রতিনিধি :
মিরপুরে শিশু রামিসার পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে সৃষ্ট পরিকল্পিত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তার অনুসারী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সেখানে গিয়েছিলেন মূলত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে। যেহেতু এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও মানবিক একটি কর্মসূচি ছিল, তাই তিনি দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে কোনো ধরনের দলীয় শোডাউন বা স্বদল-বলে উপস্থিত হওয়াকে সমীচীন মনে করেননি।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে “হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা” খ্যাত শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে স্বল্প সময়ের নোটিশে অসংখ্য আন্দোলন-সংগ্রামে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, জনগণের সেবায় নিবেদিত একজন দায়িত্বশীল সংগঠকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একটি কুচক্রী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা সত্য ও বাস্তবতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তারা আরও বলেন, মিরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনকে যদি খেলার মাঠের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তবে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাতে গড়া কর্মীবাহিনী এখনো সাইড বেঞ্চে বসেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তার আদর্শ, শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো—ছোটদের স্নেহ, সমবয়সীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, “শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের রিজার্ভ বেঞ্চে থাকা পাগলা ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দিলে মিরপুরের রাজনৈতিক মাঠ ধানক্ষেতের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পরিণত হবে।”
শেষে তারা সকলকে গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্য সবসময় প্রতিষ্ঠিত হবে। বিভ্রান্তি নয়, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল বক্তব্যের মাধ্যমেই সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা সম্ভব।

