
নিজস্ব প্রতিবেদক :
দীর্ঘ ৪১ বছরের রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক পথচলায় অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও শ্রদ্ধায় নিজেকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। সংগ্রাম, ত্যাগ, নেতৃত্ব ও মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা তাঁর জীবন আজ অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার প্রতীক।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মাঠে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন একসময় কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি “যুব সম্রাট” হিসেবেও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাহসী নেতৃত্বের কারণে তিনি দ্রুতই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। বিভিন্ন সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং সমাজ উন্নয়নে কাজ করার কারণে তিনি সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত হন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করা, নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
৪১ বছরের দীর্ঘ পথচলায় সময়ের সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছু, কিন্তু বদলায়নি মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার এবং এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় মানসিকতা। জীবনের প্রতিটি ধাপে সংগ্রামকে সঙ্গী করেই তিনি অর্জন করেছেন অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা।
এই দীর্ঘ যাত্রা শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের গল্প নয়; এটি এক সাহসী নেতৃত্বের ইতিহাস, যেখানে রয়েছে ত্যাগ, অধ্যবসায়, বিশ্বাস এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার এক নিরন্তর প্রচেষ্টা।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের এই পথচলা আগামী প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষ।

