
মোঃ গোলাম রব্বানী :
খুলনা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও একটি প্রকৃত কল্যাণকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “কোনো দুর্নীতিবাজের ঠাঁই খুলনা জেলা পরিষদে হবে না। এই প্রতিষ্ঠান হবে সাধারণ মানুষের ভরসার প্রতীক।”
গতকাল রোববার ইফতারের পর নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সাথে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
সেবা পৌঁছাবে তৃণমূলের দোরগোড়ায়
প্রশাসক বাপ্পী বলেন, তৃণমূল জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় জেলা পরিষদের প্রাপ্য আর্থিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দেয়াই হবে তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে খুলনা জেলা পরিষদকে একটি নিঃস্বার্থ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দোয়া
এর আগে তিনি সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়ন ও মূল্যায়নের অঙ্গীকার
দলের দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বাপ্পী আরও বলেন:
”খুলনার প্রত্যন্ত অঞ্চল, যেখানে এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, সেখানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে সরকারের সুফল পৌঁছে দেবো। রাষ্ট্রীয় অর্থের তছরুপ রোধ করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে খুলনাকে একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করাই আমার অঙ্গীকার।”
প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, গত রোববার খুলনা-সহ দেশের ৪৭টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

