
মাসুম বিল্লাহ-খুলনা :
খুলনা মহানগরীর উন্নয়নে পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। শনিবার দিনভর নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী ও আঞ্চলিক সংগঠনের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডের সবুজবাগ ও সার্জিক্যাল মোড় এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা রাজপথে আছি এবং থাকব।”
দুপুর ১২টায় খুলনা জেলা স্কুলের সামনে অবস্থিত নিজস্ব কার্যালয়ে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তিনি। সভায় খুলনার হিমায়িত মৎস্য শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। মঞ্জু বলেন, খুলনার অর্থনীতিকে সচল করতে এই শিল্পের আধুনিকায়ন ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
আসর নামাজের পর নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাশেম নগর থেকে প্রান্তিকা এলাকা পর্যন্ত বিশাল গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তিনি এলাকাবাসীকে একটি পরিকল্পিত ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার স্বপ্ন দেখান।
দিনের শেষ কর্মসূচিতে সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর গ্রান্ড প্লাসিড হোটেলে চট্টগ্রাম সমিতির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন:
”খুলনা হবে সকল ভাষা ও অঞ্চলের মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেকোনো মূল্যে বজায় রাখা হবে। আমাদের লক্ষ্য একটি বৈষম্যহীন ও পরিকল্পিত খুলনা শহর গড়ে তোলা, যেখানে নাগরিক সুবিধা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।”
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন,সাবেক খুলনা মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক এবং সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ,জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, মনিরুজ্জামান মনি,অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, শামসুজ্জামান চঞ্চল , ইউসুফ হারুন মজনু,নজরুল ইসলাম বাবু, কাজী রাশেদ, মহিউদ্দিন টারজান, যুব দলের সুলতান মাহমুদ সুমন, শেখ বায়েজীদ,আসিফ,সোহেল,সেচ্চাসেবক দলের রাকিবুল ইসলাম রাকিব,মাজহারুল ইসলাম সহ জেলা ও মহানগর বিএনপির দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার অসংখ্য নেতাকর্মী।

