
মাসুম বিল্লাহ-খুলনা :
বাংলাদেশের গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী সমাজের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেছেন, “দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন, দেশকে পুনর্গঠন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।”
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে খুলনা মহানগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের খানজাহান আলী হকার্স মার্কেট এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে বেলা ১১টায় শহীদ হাদিস পার্কে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’ খুলনা জেলা কমিটি আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সাথে এক সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং সন্ধ্যায়১৭ নং ওয়ার্ডে ব্যাপক নারীদের অংশগ্রহণে উঠান বৈঠক করেন।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে মঞ্জু বলেন, “গত ১৬ বছর ধরে এদেশের মানুষ তাদের মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারেনি। কেউ কথা বলার চেষ্টা করলেই তাকে রাতের আঁধারে তুলে নেওয়া হয়েছে, গুম কিংবা খুন করা হয়েছে। মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।”
বিএনপি-র ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। বিএনপি সবসময় দেশের পুনর্গঠন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে। এই মুহূর্তে দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে নিতে বিএনপি-র কোনো বিকল্প নেই।”
খুলনার শিল্প ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “খুলনা এক সময় সমৃদ্ধ শিল্পনগরী ছিল। আমি নির্বাচিত হলে এই শিল্প ও বন্দর নগরীকে পুনরায় প্রাণবন্ত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তুলব।” তিনি আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।
গণসংযোগ ও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ,আরিফুজ্জামান অপু ,নজরুল ইসলাম বাবু,আবু সাঈদ শেখ, শামীম খান, মনিরুল ইসলাম মাসুম, আসিফ,ঙওহেদুজ্জামান খসরু, আলমগীর ব্যাপারী, ইলিয়াস হোসেন, মো. আজম খান, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, কামাল হোসেন, শাহাদাৎ হোসেন, মামুন হোসেন, ওহিদুল ইসলাম, মো. লিটন, গোপাল সাহা, আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

