
নিজস্ব প্রতিনিধি :
খুলনার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে সরকারি নদীর চর থেকে মাটি চুরিতে বাধা দেওয়ায় সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাড়িতে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। যুবদল নেতা কামরুল শিকদার ও তার সহযোগীরা এই তাণ্ডব চালায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি নদীর তীরের মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করে আসছিল কামরুল শিকদার ও তার দলবল আমজাদ শিকদার, সজল শিকদার,আবু তালেব শেখ, সাদ্দাম শেখ,শাহানুর সিকদার,মনিরুল সিকদার, মোস্তাফিজুর সিকদার,শাকিল সিকদার,রিপন শেখ, বাহার সিকদার । মঙ্গলবার দিনে-দুপুরে মাটি চুরির সংবাদ পেয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযানে যান। এসময় ভূমিদস্যুরা নায়েব ও তার স্টাফদের ওপর চড়াও হয় এবং অতর্কিত হামলা চালায়। সেখানে উপস্থিত থাকা সাংবাদিক মেহেদী হাসানের ভাইকেও মারধর করে তারা।
ঘটনার পরপরই নায়েব বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসি ল্যান্ডকে অবহিত করেন। পরে এসি ল্যান্ড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্তদের আটক করেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা করে ছেড়ে দেন।
আদালত থেকে ছাড়া পাওয়ার পরপরই কামরুল শিকদার ও তার সশস্ত্র বাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং আলমারি/ওয়াড্রপ তছনছ করে নগদ ৫০ হাজার টাকা লুটে নেয়। এসময় বাড়িতে সাংবাদিকের বৃদ্ধা মা একা ছিলেন। তার চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে রূপসা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই ন্যাক্কারজনক হামলার পর সাংবাদিকের পরিবার চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এলাকাবাসী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

