
মাসুম বিল্লাহ-খুলনা :
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হতে যাচ্ছে। এই দিনে ৩০০ আসনের সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোট একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী বর্তমান প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো।
*তফসিল অনুযায়ী বর্তমানে আমরা ‘আপিল নিষ্পত্তি’র শেষ পর্যায়ে আছি। এরপরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো হলো, তারিখ ও বার নির্বাচনী কার্যক্রম অবস্থা:
২০ জানুয়ারি (সোমবার) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আসন্ন,২১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) প্রতীক বরাদ্দ ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ আসন্ন,২২ জানুয়ারি (বুধবার) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু আসন্ন,১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) প্রচারণা শেষ (সকাল ৭:৩০ টা) আসন্ন,১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ভোটগ্রহণ ও গণভোট.
*নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা :
মোট ভোটার: ১২,৭৬,৯৫,১৮৩ জন, পুরুষ ভোটার: ৬,৪৮,১৪,৯০৭ জন, মহিলা ভোটার: ৬,২৮,৭৯,০০০ জন।
* প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে ডাকযোগে (Postal Ballot) ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীরা। প্রায় ৭.৭২ লক্ষ প্রবাসী অনলাইনে নিবন্ধিত হয়েছেন, যার মধ্যে সৌদি আরব থেকেই আবেদন করেছেন ২.৬ লক্ষের বেশি ভোটার।পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন। প্রতীক বরাদ্দের (২১ জানুয়ারি) পর থেকেই পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। যারা নিবন্ধিত হয়েছেন, তারা তাদের বর্তমান ঠিকানায় ব্যালট পেপার পাবেন এবং তা পূরণ করে পুনরায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে।
* নির্বাচনের দিনই ‘জুলাই সনদ’ বা সংবিধানের ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে হ্যাঁ/না ভোট বা গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন উপলক্ষে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকল ধরনের অরাজনৈতিক সংগঠনের নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

