
মোঃ আবুল কালাম-নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতেই আজ বৃহস্পতিবার (৮জানুয়ারি) উপজেলায় বালুমহালে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছেন।
এ সময় বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এন এম কায়সার ৩ জনকে ৬ মাস,৪ মাস, ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন,এছাড়াও ১ টি বাল্কহেড ও ১ টি ড্রেজার জব্দ করা হয়।
উপর আরেকটি অভিযান পরিচালনা করেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, এ সময় ২ জনকে ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।১ টি বাল্কহেড ও ১ টি ড্রেজার জব্দ করা হয়।
অভিযানে যৌথবাহিনী ও সেনা বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা করেন ।
জানা যায় চুক্তিপত্রের বাইরে সীমানা অতিক্রম করে চরলাপাং মৌজায় ড্রেজারে বালু উত্তোলন অবস্থায় পাওয়া যায়। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ নদী পাড়ের মানুষের অভিযোগ নবীনগরে মেঘনা নদীতে অবৈধ অস্ত্রের মহড়া ও বালু সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। নদীর তীরবর্তী চরলাপাং, মানিকনগর,সহ অসংখ্য গ্রামে রাতদিন শতাধিক খননযন্ত্রের গর্জনে স্থানীয়দের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এতে ফসলি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসা ও শত শত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান যেন চলামান থাকে এমন টা দাবী গ্রামবাসীদের।

