
আশরাফুল আলম সরকার
বিশেষ প্রতিনিধি
গাজীপুরের শ্রীপুরে দায়িত্ব পালনকালে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল বারিক পিপিএম মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে যে দৃঢ় ভূমিকা রাখেন—তা এখনো এলাকাবাসীর মুখে মুখে। দায়িত্বগ্রহণের পরপরই তিনি মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে ধারাবাহিক অভিযানে শ্রীপুরকে আইন–শৃঙ্খলার এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে যান।
থানা–অধীন বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান, গোপন তথ্য সংগ্রহ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অ্যাকশনে মাদকচক্র কার্যত চাপে পড়ে যায়। মাদক বিক্রি, পরিবহন ও সেবনের নেটওয়ার্ক সঙ্কুচিত হতে থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য—
“মাদকের বিরুদ্ধে যতটা কঠোর পদক্ষেপ আমরা চেয়েছিলাম, তিনি তার চেয়েও বেশি দেখিয়েছেন।”
শিল্পাঞ্চলঘেঁষা শ্রীপুরে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজ ও দুষ্কৃতিকারীদের দৌরাত্ম্য ছিল অভিযোগের কেন্দ্রে। ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি বাজার, বাসস্ট্যান্ড ও শিল্পকারখানা এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ান।
ফলে চাঁদাবাজ চক্রের কার্যক্রম কমে যায় এবং বিভিন্ন অপরাধীচক্র নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
“শ্রীপুরের রাস্তা–ঘাটে আগে যে ভয়ভীতি ছিল, তাঁর সময় সেটা ছিল না। তিনি অপরাধীদের জন্য ছিলেন যমের মতো।”
এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, ভুক্তভোগীদের অভিযোগ শোনার জন্য থানায় উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি এবং জরুরি ঘটনায় দ্রুত সাড়া—সব মিলিয়ে ওসি আব্দুল বারিক তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে শ্রীপুরে গড়ে তোলেন জনবান্ধব পুলিশিংয়ের দৃষ্টান্ত।
অনেকে বলছেন—
“এমন দায়িত্বশীল ওসি পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।”
সন্ত্রাস–মাদক–চাঁদাবাজি দমন, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি জোরদার এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহযোগিতার কারণে শ্রীপুরে সামগ্রিক নিরাপত্তার পরিবেশ আরও মজবুত হয়। বিশেষ করে স্কুল–কলেজসংলগ্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রমও কমে আসে বলে জানায় স্থানীয় পরিবারগুলো
শ্রীপুরের সাধারণ মানুষের দাবি
“পেশাদারিত্ব, সততা আর দৃঢ়তার যে দৃষ্টান্ত ওসি আব্দুল বারিক স্থাপন করেছেন, তা ভবিষ্যতের কর্মকর্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে

