
মো: জিল্লুর রহমান :
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার বড়গাংদিয়া এলাকার নজিবপুর গ্রামের মৃত-কেরামত আলীর একমাত্র সন্তান মো: রবিউল ইসলাম তার পিতার সম্পত্তির বৈধ দলিল পত্র থাকা স্বত্বেও দখলে পাচ্ছেনা জাতীয় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ কুষ্টিয়া প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে উক্ত অভিযোগকারী মো: রবিউল ইসলাম এর পিতা মৃত-কেরামত আলীর পালক পিতা-মাতার নিকট থেকে পাওয়া সম্পত্তির বৈধ দলিল পত্র থাকা স্বত্বেও প্রায় ত্রিশ বছর যাবত জবর দখল করে রেখেছেন মো: রবিউল ইসলাম এর পিতা মৃত-কেরামত আলীর পালক পিতা-মাতার নিজ ভাতিজারা। মো: রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন তার পিতা-কেরামত আলী জীবিত থাকাকালীন সময়ে- কেরামত আলীর পালক পিতা-মাতার নিজ সম্পত্তির ১অংশ- (১ একর ৭৩ শতাংশ) কেরামত আলীর নামে দলিল করে দেন এবং উক্ত সম্পত্তি -কেরামত আলীর জীবিত থাকাকালীন দখলভোগ করেন। দখলভোগ করাকালীন সময়ে ২০১০ইং সালের দিকে ১০০শতাংশ জোরপূর্ব দখলে নিয়ে নেয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে কেরামত আলীর পালক পিতা-মাতার নিজ ভাতিজারা কেরামত আলীর ও তার পরিবারের উপর একাধীকবার হামলা চালিছেন। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানায় একাধীকবার আলাদা আলাদা মামলা দাখিলের প্রমান পাওয়া গেছে। কিন্তু মো: রবিউল ইসলাম এর পিতা কেরামত আলীর মৃত্যুর পর মৃত-কেরামত আলীর পালক পিতা-মাতার নিজ ভাতিজারা উক্ত দানকৃত সম্পত্তি কৌশলগতভাবে তাদের দখলে নেয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে স্থানীয় ভাবে একাধিকবার গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে মোট সম্পত্তির ১ একর ৭৩ শতাংশ এর মধ্যে ৭শতাংশ জমি উদ্ধার করেন।
কিন্ত বাকি সম্পত্তি স্থানীয় জোর দখল করে রেখেছেন। উক্ত সম্পত্তি চাইলেই মো:রবিউল ইসলামের পিতা মৃত কেরামত আলীর পালক পিতা-মাতার নিজ ভাতিজারা (১) মো: আব্দুল মান্নান, (২) মো: খেজমত আলী ও (৩) মো: আর্মি (৪) আজমত আলী মৃত কেরামত আলীর সন্তান (১) মো:রবিউল ইসলাম (২) মো: আরজ আলী শারীরিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে দমিয়ে রাখেন বলে এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। মৃত পিতার বৈধ্য দালিলিক সম্পত্তি ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দারে দারে ঘুরছেন মৃত কেরামত আলীর সন্তানেরা।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন মৃত কেরামত আলীকে ১৯৫১ইং সালে তার বয়স জখন ২বছর ছিল তখন মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার বেতবাড়িয়া গ্রামের রমজান হালসানা , মাতা মৃত- রাহাতন নেছা’র নিকট থেকে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার নজিবপুর গ্রামের মৃত- উকিল মন্ডল ও তার স্ত্রী ইনছান নেছার কোন সন্তান না থাকায় নজি ভাইয়রে ছলেকেে পালক সন্তান হসিবে গ্রহন করনে।

