
নিজস্ব প্রতিবেদক :
একটি গণভোট আয়োজনের জন্য রাষ্ট্রকে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে — এমন তথ্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই গণভোট মূলত নির্বাচন বিলম্বিত করার একটি কৌশল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. স্বাধীন মালিক বলেন, “যদি সত্যিই গণভোট প্রয়োজন হয়, তাহলে সেটি জাতীয় নির্বাচনের একই দিনে করা উচিত। আলাদা করে গণভোট আয়োজন মানে দেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে নতুন করে বিপর্যয় সৃষ্টি করা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে রাষ্ট্রের ওপর বিশাল অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন বিলম্বের নামে যে ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে, তা রাষ্ট্রের অবকাঠামো ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।”
এদিকে দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মন্তব্য করেছেন, “নির্বাচনের আগে এ ধরনের অপকৌশল রাজনীতিবিদদের জন্যই ক্ষতিকর। আমাদের উচিত নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা। এর বাইরে কোনো বিকল্প চিন্তা দেশকে অস্থিতিশীল করবে।”
সুশীল সমাজ মনে করছে, জামায়াত, এনসিপি এবং তাদের সহযোগী কিছু রাজনৈতিক দল ইচ্ছাকৃতভাবে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টায় লিপ্ত। তারা বলছেন, “নির্বাচন পিছানোর যেকোনো উদ্যোগে কিছু সুবিধাভোগী মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই পদক্ষেপ দেশের গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা একযোগে বলছেন, গণভোট ও নির্বাচন একই দিনে সম্পন্ন করা হলে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, সেই সরকারই দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।
শেষ পর্যন্ত সবাই একমত—
“দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে এখনই প্রয়োজন সময়মতো নির্বাচন, বিভ্রান্তিমূলক গণভোট নয়।”

