
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত দিনে যারা দলের ক্ষতি সাধন করেছেন, আতাত বা বিভাজনের রাজনীতি করেছেন—এমন নেতাদের হাতে আর বিএনপির টিকিট উঠছে না।
একজন স্থায়ী কমিটির সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,
“যারা দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন না, বরং সুযোগ বুঝে দলকে আঘাত করেছেন—তাদের স্থান বিএনপিতে আর নেই। এবার ত্যাগী, নিষ্ঠাবান ও পরীক্ষিত নেতারাই মনোনয়ন পাবেন।”
বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দল এখন অভ্যন্তরীণ শুদ্ধি অভিযানে নেমেছে। আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেওয়া, গ্রেফতার-নির্যাতন সহ্য করা, দলীয় নির্দেশ মেনে চলা—এই সব দিক বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।
দলীয় নীতি নির্ধারকরা মনে করছেন, বিএনপি বহুবার ক্রান্তিকাল অতিক্রম করেছে, আর সেই প্রতিটি সময়ে কিছু সুবিধাবাদী ও দ্বিমুখী নেতা দলের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার সেই ভুল আর পুনরাবৃত্তি হবে না বলে জানিয়েছেন তারা।
একজন সিনিয়র নেতা বলেন,
“বিএনপি এখন নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চায়। যারা জনগণের পাশে থেকেছেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, আন্দোলনের মাঠে ছিলেন—তারাই আমাদের ভবিষ্যতের কান্ডারী।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্ত বিএনপির জন্য ইতিবাচক এক বার্তা বহন করছে। এতে একদিকে যেমন ত্যাগী নেতারা উৎসাহিত হবেন, অন্যদিকে সুবিধাবাদীরা দল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছেঁটে পড়বেন।
🔹 মূল বার্তা:
“ত্যাগী নেতারাই বিএনপির আগামী দিনের মুখ।”
আসন্ন নির্বাচনে তাই সংগ্রামী ও নিষ্ঠাবান নেতাদের জন্যই খুলে যাচ্ছে মনোনয়নের দুয়ার।

