
জন জাগরণ ডেস্ক :
ইসতিয়াক আহমেদ শাবাব, দৈনিক জন জাগরণ পত্রিকাতে ক্রাইম রিপোর্টারে যোগদানের জন্য, মো: শিহাব উদ্দিন-প্রকাশক ও সম্পাদক, জি.এস. জয়-নির্বাহী সম্পাদক এবং জন জাগরণ পরিবারের পক্ষ থেকে তার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা।
সাংবাদিকের দায়িত্ব হচ্ছে সত্য উদঘাটন ও সত্যের বিকাশ ঘটানো। একজন সাংবাদিককে আত্ম সচেতনতার মাধ্যমে পেশার দায়িত্ব ও নির্দেশনা মেনে চলা আবশ্যক। তবেই দেশ ও দেশের মানুষের সেবা নিশ্চিত হবে।
সাংবাদিকতার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত প্রতিবেদক তাঁদের অবশ্যই কতগুলো মৌলিক দায়িত্ব আছে, যেগুলো এড়িয়ে গিয়ে সাংবাদিকতা করা সম্ভব নয়; অন্যার্থে সাংবাদিকতার নীতিমালার ভিত্তিগত কিছু বিষয় আছে, যা সর্বজনীন এবং দায়িত্ব নির্বিশেষে সবার জন্য প্রযোজ্য। সাংবাদিকতার প্রথম বাধ্যবাধকতা বা দায়িত্ব হচ্ছে সত্যের প্রতি। সাংবাদিকতার এই সত্য দর্শন শাস্ত্রের সত্য নয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারের চূড়ান্ত সত্য নয়। বিল কোভাচ ও টম রোসেন্টিয়েল দ্য এলিমেন্টস অব জার্নালিজম গ্রন্থে একে বলেছেন ‘আ প্র্যাকটিক্যাল অ্যান্ড ফাংশনাল ফর্ম অব ট্রুথ’—বাস্তব এবং কার্যকর সত্য। এ সত্যের ভিত্তি হচ্ছে পেশাদারিভাবে তথ্য-উপাত্ত ও ঘটনার বিবরণ সংগ্রহ এবং তা যাচাই করা।
সাংবাদিকতা আসলে কেবল তথ্য-উপাত্ত ও ঘটনার বিবরণ সংগ্রহের পেশা নয়; এটির ভিত্তি হচ্ছে তথ্য যাচাই করাও। ইংরেজিতে যাকে বলে ভেরিফিকেশন, একে আমরা সত্য প্রতিপাদন বলে বর্ণনা করতে পারি। এই ভেরিফিকেশনের কি কোনো সুনির্দিষ্ট সূত্র আছে? অবশ্যই তা নেই। একেক সময়ে একেকভাবে ভেরিফাই করতে হবে। কিন্তু যা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তা হচ্ছে অনুসৃত পদ্ধতি বস্তুনিষ্ঠ কি না। প্রতিবেদক কিংবা সম্পাদনায় যুক্তরা ব্যক্তি হিসেবে বস্তুনিষ্ঠ হবেন, এমন আশা করা যায় না, কিন্তু তথ্য বা ফ্যাক্টস সংগ্রহের ও উপস্থাপনার পদ্ধতি বস্তুনিষ্ঠ কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
কর্মজীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করা সবসময়ই উত্তেজনাপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং। নতুন চাকরি বা পদোন্নতির সাথে আসে নতুন দায়িত্ব, নতুন সুযোগ এবং অবশ্যই নতুন চ্যালেঞ্জ।
এমন সময়ে কাছের মানুষ বা সহকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া শুভেচ্ছা এবং সমর্থন শুধু একটি উৎসাহ নয়, বরং একটি মনের জোর। নতুন কর্মজীবন শুভেচ্ছা বার্তা কেবলমাত্র উৎসাহ প্রদানের একটি উপায় নয়, এটি প্রাপকের প্রতি আপনার সম্মান ও সমর্থনের একটি মূর্ত প্রতীক।

