
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার একের পর এক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার আনুষ্ঠানিকতা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তাতে বাস্তব কোনো অগ্রগতি নেই। আলোচনা হচ্ছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। জনগণের আস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে হলে বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন, কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়।
শনিবার দুপুরে রাজধানীতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে কৃষকদলের আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জিয়াউর রহমানের জন্মই যেন হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা করতে। তিনি এ নিয়ে কখনও কৃতিত্ব নেননি। তবে একটি দল তাকে বিতর্কিত ও ইতিহাস বিকৃত করেছে।
যারা নির্বাচন চায়, গণতন্ত্র চায়, তারা কিছু মানুষের কাছে দেশদ্রোহী হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার অত্যাচার ভুলতে বসেছি। পাঁচ আগস্ট না এলে আজও আয়না ঘরে অনেকের থাকতে হতো। পাঁচ আগস্টের ঐক্যকে ভাঙতে চাইছে। আমাদের প্রধান চাওয়া ছিল ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার। এসব আমরা ভুলতে বসেছি।
সংস্কারের মহাকাব্য তো আমরা রচনা করেছি মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন বলেন, দেশে যদি কোনো সংস্কার হয়ে থাকে, তা হয়েছে বিএনপির হাত ধরে। বাকশাল বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা শুরু করার মাধ্যমে মৌলিক সংস্কার শুরু হয়।
আমরা গণতান্ত্রিক একটি দেশে বাস করতে সংগ্রাম, আন্দোলন করেছি। আমরা আমাদের অধিকার আদায়ের কথা বললেই প্রধান উপদেষ্টা কষ্ট পান। সংস্কারের দোহাই দিয়ে আর কতো বিলম্ব করবেন? প্রশ্ন করে তিনি।
তিনি বলেন, সংস্কারের নামে যেসব পরিবর্তন চায় কমিশন, তা জাতি মেনে নেবে এমন কেন ভাবে কমিশন? আমাদের বাধ্য হয়ে মানতে হলে তা তো বাকশাল হয়ে যায়।
সংস্কার নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিকতার কমতি নেই, তবে কাজের কাজ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে দেবার কথা বলে পিছিয়ে যাওয়াটা ঠিক করেননি মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন বলেন, ডিসেম্বরের বাইরে নির্বাচন যাবার একটিও কারণ নেই। সংস্কার ও নির্বাচন এক সঙ্গে চলবে। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। বিচার করবে বিচার বিভাগ। উপস্থিত ছিলেন কৃষকদলের কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ

