
মোহাম্মদ আবুল কালাম,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ানোর জেরে মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন মোল্লা ও তার ছোট ভাইকে নির্মমভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার (১৯ জুলাই) সংঘটিত এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
আহত মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন মোল্লা দাপুনিয়া গ্রামের সন্তান এবং পেশায় একজন আলেম।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবার জানায়, গতকাল ১৯ জুলাই জুমার নামাজ পড়ানোকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধ বা উত্তেজনার জেরে মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন মোল্লার ওপর ক্ষুব্ধ হয় প্রতিপক্ষের লোকজন। জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বা স্থানীয়ভাবে তার চাচাতো তিন ভাইসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক অতর্কিত হামলা চালায়।
এ সময় ভাইকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার ছোট ভাই আবু বকর (আবো জাহার) মিয়াকেও বেধড়ক মারধর করা হয়।
হামলাকারীরা দুজনকেই লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও হাসপাতালে নেন।
একজন আলেম ও মসজিদের ইমামের ওপর এমন বর্বরোচিত হামলায় পুরো এলাকায় শোক ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
স্থানীয়দের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন আলেমকে মসজিদে নামাজ পড়ানোর অপরাধে এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে মারধর করা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও অপরাধমূলক কাজ। তারা দ্রুত নবীনগর থানা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে হামলাকারী চাচাতো ভাইদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

