
দীপক শর্মা-ঠাকুরগাঁও :
সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে রুহিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ‘রুহিয়া উপজেলা’-র চূড়ান্ত অনুমোদন হলো আজ ঐতিহাসিক সংবর্ধনার মাধ্যমে।
এই ঐতিহাসিক অর্জনের মহানায়ক, আমাদের অভিভাবক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির সংগ্রামী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রুহিয়া ও ভুল্লি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রশাসনিক উন্নয়নের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, যোগ্য নেতৃত্ব এবং সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে রুহিয়া একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।রুহিয়া ও ভুল্লি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রশাসনিক উন্নয়নের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, যোগ্য নেতৃত্ব এবং সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে রুহিয়া একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রুহিয়া ও ভুল্লি উপজেলা হওয়ার ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও সরকারি সেবার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করতে হবে।’
তিনি তরুণ সমাজের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মাদক আজ যুবসমাজের জন্য একটি বড় হুমকি। তরুণদের মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। তাদেরকে খেলাধুলা, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা ও ক্রীড়া কার্যক্রম যুবসমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে হয় না। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সচেতন নাগরিক, দক্ষ নেতৃত্ব এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চা। রুহিয়া ও ভুল্লির নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে লালন করতে পারলে এই জনপদ আরও সমৃদ্ধ হবে।’
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়া সংগঠক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি জেলা বিএনপির সভাপতি ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা রুহিয়ার উন্নয়নে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার প্রসারে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

