রাজনীতি ও সমাজসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী জননেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চায় মিরপুরসহ ঢাকা-১৫ আসনের সাধারণ জনগণ। এলাকাবাসীর ভাষায়, তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন—তিনি গণমানুষের নেতা, যিনি অল্প সময়ে মানুষের হৃদয়ে গভীর স্থান করে নিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন রাজনীতির মাঠেও নিজের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। বিশেষ করে ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়ন পাওয়ার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ব্যাপক গণসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেন।
দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী, তারেক রহমান তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানালে তিনি দৃঢ় মনোবল নিয়ে নির্বাচনী মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রতিদিন ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বিভিন্ন মসজিদে আদায়, মাদ্রাসা, এতিমখানা, স্কুল-কলেজে নিয়মিত যোগাযোগ—সব মিলিয়ে তিনি দ্রুতই মানুষের খুব কাছে পৌঁছে যান।
এলাকার ইমাম-মুয়াজ্জিন, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হন তিনি। স্থানীয়দের মতে, এমন কোনো মহল্লা বা চায়ের দোকান ছিল না, যেখানে তার নাম উচ্চারিত হয়নি।
নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছিল, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। অনেকের দাবি, তিনি প্রায় ৩০ থেকে ৩২ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। তবে ফলাফল ঘোষণার পর ভিন্ন চিত্র সামনে আসায় এলাকায় বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় সাংবাদিকদের অনেকেই দাবি করেন, বাস্তব চিত্র ও ঘোষিত ফলাফলের মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। তাদের মতে, এটি শুধু একজন প্রার্থীর নয়—বরং পুরো এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন না পাওয়ার বেদনা।
মিরপুরবাসীর দাবি, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মতো একজন জনবান্ধব, নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো উচিত। তারা আশা করেন, বর্তমান সরকার তার জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন করে তাকে একটি সম্মানজনক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত করবে।
জনগণের প্রত্যাশা—একজন জননেতার প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন নিশ্চিত হোক।