
মোঃ জাহিদ হোসেন জিমু-গাইবান্ধা :
গাইবান্ধা জেলা শহরের যানজটের আরেক ভোগান্তির নাম পুরাতন ব্রীজ। সদরের ৮ টি ইউনিয়ন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ও বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলার প্রবেশদার বলা হয় এই পুরাতন ব্রীজ কে। যদি ও কুড়িগ্রাম জেলার জন্য লক্ষিপুর ওপর দিয়ে সাদুল্লাপুরের কান্তানগর দিয়ে ভায়া হয়ে ধাপেরহাটের জাতীয় মহাসড়কের সাথে যুক্ত করে একটি বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে।
প্রতিনিয়ত যান যানজট লেগেই থাকে পুরাতন ব্রীজ থেকে পুরাতন জেল খানার মোড় পর্যন্ত। অপর দিকে পুর্বপাড়া থেকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চার লেনের রাস্তা তেমন কোন সুফল বয়ে আনছে না শহর বাসীর জন্য। নেই কোন ওভারব্রিজ। সেই সাথে ডিবি রোডে ১ নং ট্রাফিক মোড়, ডাক বাংলা মোড়ে ও প্রায় সময় অত্যাধিক যানজট লেগেই থাকে।
একে তো গাইবান্ধা শহরে নেই কোন বিকল্প সড়ক। দ্বিতীয়তো লাগামহীন ইজিবাইক, ভারি ও মাঝারি যানবাহন সহ সকল যানবাহন একই রাস্তায় চলাচলের কারনে শহরে আরো তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ভোগান্তি বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত শুরুর সময় ও শেষে অত্যাধিক যানজট সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন যানজটে প্রায় আধা ঘন্টার অধিক সময় আটকে নষ্ট হচ্ছে সাধারন মানুষের কর্মঘন্টা।
স্থানীয়রা জানান, শহরের সড়কগুলো চিকন। সেই সাথে ধারন ক্ষমতার চেয়ে ২ গুন ইজিবাইক ও রিকশার হওয়ায় শহরের যানজট দিনদিন বেড়েই চলেছে। নিয়ম বেধে দিলেও তারা নিয়ম অমান্য করে চলাচল করে থাকে। অটোগুলো রাস্তার অর্ধেকের বেশি দখল করে রাখে। এছাড়াও শহরের প্রধান সড়কের ফুট পাত গুলো অনেক ব্যবসায়ীদের দখলে । ফুটপাত দিয়ে হাটার সুযোগ না থাকায় রাস্তায় নেমে হেটে যেতে হয়। যেখানে দশ মিনিটে গন্তব্য তে যাওয়া যায় সেখানে হেটে যেতে লাগে ৪০-৫০ মিনিট। যা এখানকার মানুষের প্রতিদিনের ভোগান্তি।’
তারা অতিদ্রুত এ সমস্যার সমাধান কর্তৃপক্ষের নিকট চান।

