
নিজস্ব প্রতিনিধি :
দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত বিনা বেতনে সে অজপাড়া গ্রামে কোমলমতি শিশুদেরকে পাঠদান দিয়ে যাচ্ছেন বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষক অনেক শিক্ষক মৃত্যুবরণ করেছে বেতন ভাতা ছাড়াই অনেক শিক্ষক রিটারমেন্টে চলে গেছে বেতন ভাতা ছাড়ায় অনেক শিক্ষক বয়স প্রায় শেষের দিকে বয়স চলে গেলে কোন প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষিত বেকার কে নেয় না এই ২০ হাজার শিক্ষক এই বিদ্যালয় ব্যতীত আর কোন কিছু কর্মসংস্থান নাই। বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি – মিডফিল না থাকার কারণে বিদ্যালয়গুলো আস্তে আস্তে ভিলিনির পথে। ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ৩১ দিনে আন্দোলন করার পর পুলিশের লাঠিচার্জ জল কামানের মধ্য দিয়ে
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সাল বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় থেকে জাতীয়করণের চিঠি হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কন্সাল্টেসন কমিটি গঠন করা হয় কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা, সচিব, উপসচিবসহ বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণের জন্য স্বাক্ষর করেন ৫০০০ বাদ পড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন সরকার প্রধান হয় তিনি সর্বপ্রথম বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন প্রথা চালু করে সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে ৫৩৪ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৫০০০ বাদ পড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতন ভাতা না থাকার কারণে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কেউ টিউশনি করাই অটো রিক্সা চালায় কেউ আবার রাত্রিবেলায় পার্ট টাইম সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করে পরিবার চালায় সন্তানদেরকে ভালো স্কুলে পড়াতে পারছে না অসুস্থ বাবা মার চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছে বেতন-ভাতা না থাকার কারণে। গ্রামে একটা পরিবার চালাতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন অথচ দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত বিনা বেতনে পরিশ্রম করে যাচ্ছে ২০ হাজার শিক্ষক প্রত্যেকটা শিক্ষক অনার্স মাস্টার্স -ডিগ্রী মাস্টার্স কমপ্লিট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সুপারিশ প্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮০ জন শিক্ষক
১ অক্টোবর ২০২৬ সাল যোগদান করবে বর্তমান সরকারের সময় অথচ সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বাদ পাড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় থেকে চিঠি হয়। পৃথিবীর কোন দেশে বেতন ভাতার জন্য রাজপথে আন্দোলন করতে হয় শিক্ষকদের শিক্ষকরা ধুলাবালির মাঝে রাজপথে আন্দোলন করে আর কর্মকর্তারা এসি রুমের ভিতরে থাকে প্রাথমিক শিক্ষা দান করার কারণে আজকে কেউ প্রধানমন্ত্রী, কেউ মন্ত্রী, কেউ এমপি, কেউ সচিব হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর সেই মানুষ গড়ার কারিগরগুলো আজকে বেতন বিহীন দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আসছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান স্যারের কাছে আকুল আবেদন বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষককে চাকরি জাতীয়করণ করে মানবতার জীবনযাপন থেকে মুক্ত করে দিন।
সাদ্দাম হোসেন রুহান মন্ডল
যুগ্ম মহাসচিব: বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (কেন্দ্রীয় কমিটি) ঢাকা।
ফোন নাম্বার: ০১৬১২২৭৬৫০৪

