
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নাম নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। যদিও এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে নেতাকর্মীরা মনে করছেন তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি হবেন। নেতাকর্মীরা মনে করেন শফিকুল ইসলাম খান সভাপতি হলে মহানগর উত্তরের ত্যাগী নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিনের ত্যাগের মূল্যায়ন পাবেন।
বর্তমানে ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন রাজধানীর উত্তরাঞ্চলকে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও পরিকল্পিত মেগাসিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সড়ক উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে তিনি নগরবাসীর প্রশংসা অর্জন করেছেন বলে সমর্থকরা দাবি করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন। তিনি বৃহত্তর মিরপুর যুবদলের সাবেক সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে সারা দেশে তারুণ্য সমাবেশের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করার উদ্যোগ ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতে, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন দীর্ঘদিন মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং কর্মীবান্ধব মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে বলে তারা আশাবাদী।
নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, ত্যাগী, পরীক্ষিত ও দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের ভূমিকা ইতিবাচক হবে। তার নেতৃত্বে দলীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুন গতি পাবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা—এই তিনটি দিক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তবে দলীয় নেতৃত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামই গ্রহণ করবে।
দলীয় সূত্রে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলতে সক্ষম হবে এবং রাজধানীর উত্তরাঞ্চলে দলীয় কর্মকাণ্ড নতুন মাত্রা লাভ করবে।

