
হুমায়ুন কবির/নিজস্ব প্রতিবেদক | নান্দাইল, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক আজিজুল ইসলাম পিকুলের ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগ এবং রাজপথের সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘অবমাননাকর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা।
এক অদম্য সংগ্রামের ইতিহাস:-
আজিজুল ইসলাম পিকুল কোনো আকস্মিক নাম নয়। গত দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা শত বাধা-বিপত্তি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। সমর্থকদের মতে, পিকুল ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে ওঠা এক আপসহীন সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব।
অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ:-
সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় সংক্ষুব্ধরা জানিয়েছেন, আজিজুল ইসলাম পিকুলের মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত শুধু সাংগঠনিকভাবে ক্ষতি নয়, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের শ্রম ও মেধার প্রতি চরম অসম্মান।
”তিনি রাজপথের এক পরীক্ষিত সৈনিক এবং সংগ্রামের অদম্য প্রতীক। এমন নেতার প্রতি বহিষ্কারাদেশ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। আমরা এই অন্যায় সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারি না।”
পুনর্বিবেচনার জোরালো দাবি:-
নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বহিষ্কারাদেশ দ্রুত প্রত্যাহার করা এখন সময়ের দাবি। এটি কেবল আবেগের বিষয় নয়, বরং দলের ভেতরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক বড় পরীক্ষা।
দাবিনামায় যা বলা হয়েছে:-
১/ অবিলম্বে প্রত্যাহার:- কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করে আজিজুল ইসলাম পিকুলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে।
২/অবদানের স্বীকৃতি:- তার ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামকে সম্মান জানিয়ে তাকে পুনরায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনতে হবে।
৩/ন্যায্য অবস্থান:- সংগঠনের স্বার্থে এবং রাজপথের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।
আজিজুল ইসলাম পিকুলের অনুসারীরা আশা প্রকাশ করছেন, নীতিনির্ধারণী মহল মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সেন্টিমেন্ট এবং নেতার দীর্ঘদিনের ত্যাগ বিবেচনা করে দ্রুত একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

