
মোঃ গোলাম রব্বানী,স্টাফ রিপোর্টার্স
খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বোরো ধান কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং চারজন আহত হয় এ ঘটনা চাঞ্চল্যকর হত্যা হিসেবে বিবেচনা করে, ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে। র্যাব-৬, সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনার দিঘলিয়া ও নড়াইলের কালিয়া থানায় পৃথক দুই অভিযান পরিচালনা করে খুলনা জেলার তেরখাদায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর নুরুল ইসলাম শেখ ওরফে নূরে আলম শেখ (৫৮) হত্যা মামলার এজাহার নামীয় অন্যতম পলাতক আসামি ১ সোহেল মোল্যা (৩২), পিতা: ইবাদত মোল্যা, ২ সাইফুল মোল্যা, পিতা: ইদ্রিস মোল্যা উভয় সাং: মধুপুর, থানা: তেরখাদা, জেলা: খুলনাদ্বয়কে গ্রেফতার করে।
মামলার এজাহার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৫/০৪/২০২৬ ইং তারিখ, সকাল ১০ ঘটিকার সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এবং বোরো ধান কাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই গ্রুপ (শহিদুল গ্রুপ ও সাইফুল গ্রুপ)-এর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে সাইফুল গ্রুপের ০৫ (পাঁচ) জন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে আহত হয়। আহতরা হলেন- ১মোঃ হিজমুল্লাহ সোহেল রানা (৪০), পিতা- আব্দুল মান্নান শেখ, ২ নূরুল ইসলাম শেখ ওরফে নূরে আলম শেখ (৫৮), পিতা- ইকরাম শেখ, ৩ মুসা শেখ, পিতা- নূরে আলম শেখ, ৪ মফিজুর রহমান (৪৫), পিতা- মাসুম মুন্সী, ৫ আলী হুসাইন (৩৭), পিতা- শুক্কুর আলী, সর্ব- গ্রাম ও ডাকঘর- মধুপুর, থানা ও উপজেলা- তেরখাদা, জেলা- খুলনা। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-১ এর ৯ ও ১০ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আহতদের মধ্যে নূরুল ইসলাম শেখ ওরফে নূরে আলম শেখ (৫৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই তারিখ দুপুর ১:২০ ঘটিকার সময় মৃত্যুবরণ করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে মোস্তফা শেখ (২৬) বাদী হয়ে খুলনা জেলার তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়কে খুলনা জেলার তেরখাদা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

