
নিজস্ব প্রতিনিধি :
১৩ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর দু এক দিন পরে অর্থাৎ 12 তারিখে অনুষ্ঠিত হবে সেই কাঙ্খিত জাতীয় ইলেকশন। ইলেকশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পাবে নতুন নেতৃত্ব নতুন সরকার। এরই মাঝে জল্পনা কল্পনা জন্ম দিয়েছে কি হতে যাচ্ছে ১২ তারিখে আদৌ ভোট হবে কিনা ভোট হলে সেটা কি পাতানো ইলেকশন হবে নাকি জনগণ তাদের ভোট দিয়ে একটি সরকার নির্বাচন করবে যেটা জনগণের সরকার।
বিগত সরকার যেভাবে ইলেকশন করেছিল সেই ভাবে যদি ইলেকশন এবারও তৈরি করা হয় তাহলে দেশ কোন পরিস্থিতিতে পড়বে সেটা দেশের জনগণ জানে। একটি বড় দল দীর্ঘ 17 বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশকে শুধুমাত্র একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য লড়াই করে গেছে সেই লড়াইয়ের ফল টাই পেতে চাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যার নীতি নির্ধারক রায় এই কথা বলেছেন।
কিন্তু বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে ভিন্ন সুর ভিন্ন বার্তা সরকার কি এরই মধ্য একটি পাতানো ইলেকশন সাজিয়ে রেখেছে নাকি সুস্থ এবং নিরপেক্ষ ভোট দিয়ে জাতিকে স্বস্তি দিবে।
এদিকে আজ জামায়াতে ইসলামীর আমির এক বক্তব্যে বলেন, “১২ তারিখের নির্বাচনের পর আপনারা নতুন সূর্যোদয় পাবেন, নতুন সরকার পাবেন।” তবে তার এই বক্তব্যে কথার ভেতরে কেমন যেন রহস্যময় ইঙ্গিত ছিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
বিভিন্ন গণনা এবং জরিপে বলছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করবে অপরদিকে বাংলাদেশ জামাত ইসলামী ২১ থেকে ২২% ভোট পেয়ে বিরোধী দলের যাবে বলে বিভিন্ন সার্ভে থেকে উঠে এসেছে।
কিন্তু এরই মাঝে বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভিন্ন সোর্স যে তথ্য দিচ্ছে সেই তথ্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর যদি এমন কিছু হয় তাহলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছে সেই প্রেক্ষাপট ওয়ান ইলেভেনের থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। আগামী 9 তারিখ থেকে গণমাধ্যম তার ভূমিকায় তুলে ধরবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তাই চোখ রাখুন জনজাগরণের সাথে।

