
মোঃ জাহিদ হোসেন জিমু-গাইবান্ধা :
গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচির সহযোগিতায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস গাইবান্ধা সদর ও ইকো-সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এর আয়োজনে আজ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. সকাল ১১ ঘটিকায় কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।.
জনাব মো: আব্দুল হান্নান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা এর সভাপতিত্বে
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-
জনাব তরুণ কুমার দত্ত,উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, গাইবান্ধা সদর গাইবান্ধা।
ইএসডি ও এসএফপি প্রতিনিধি জনাব মোঃ আবু ওয়ালিদ এর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
জনাব মোছাঃ আঞ্জুমান আরা বেগম।
এসময় তারা বলেন,
২০২৫ সালে বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে একটি নতুন ও বর্ধিত ফিডিং কর্মসূচি চালু হয়েছে, যার আওতায় দেশের ১৫০টি উপজেলার প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন পুষ্টিকর খাবার যেমন-ফর্টিফাইড বিস্কুট, ডিম, দুধ, কলা ও মৌসুমি ফল দেওয়া হচ্ছে; এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ এবং তাদের পুষ্টি ও মনোযোগের উন্নয়ন ঘটানো, যা ২০২৭ সাল পর্যন্ত চলবে।
এর ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা পড়ালেখায় আরও মনোযোগী হবে এবং বিদ্যালয়ে আসতে আগ্রহী হবে। এই কর্মসূচি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও সহায়তা করবে। এই উদ্যোগটি সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম।
‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’র আওতায় ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ স্কুল কর্ম দিবসে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ দেওয়া হবে। এর ফলে বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার শতকরা ৮০ ভাগের বেশি হবে এবং ঝরে পড়া কমবে, প্রত্যেক বছর শতকরা ১০ ভাগের বেশি হিসেবে বিদ্যালয়ে প্রকৃত ভর্তির হার বৃদ্ধি পাবে, বিদ্যালয়ে শিশুদের ধরে রাখার হার অন্তত ৯৯ শতাংশে উন্নীত হবে, বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের হার ৯০ শতাংশের হারে বেশি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও এই কর্মসূচি শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

