
সাবিনা ইয়াসমিন :
গাজীপুরের কাশিমপুর থানার পশ্চিম শৈল ডুবি মিয়া বাড়ি এলাকায় একটি খামারে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঘোরা জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে হোটেল ও রেস্টুরেন্টে সরবরাহ করা হচ্ছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়রা প্রথমে ৯ জন কসাইকে আটক করে পুলিশে সুপর্দ করেন। পরে রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানেখামারটিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১০ টি জবাইকৃত ঘোরা সনাক্ত করা হয়। যার মধ্যে ৬টি প্রক্রিয়াজাত এবং ৪টি অপরপ্রক্রিয়াধীন অবস্থায় ছিল। এ সময় আনুমানিক৪০০ কেজি মাংস জব্দ করা হয়।
এছাড়া ও খামারের পেছনের একটি বাগান থেকে জীবিত অবস্থায় গাছে বাঁধা সাতটি ঘোড়া উদ্ধার করা হয় পরে সেগুলো স্থানীয় কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির জিম্মায় রাখা হয়। অভিযানে খামার মালিক আলফাজ আহমেদকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও প্রাণিসম্পদ আইন অনুযায়ী নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
প্রাণিসম্পদ আইন ওভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযুক্তকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত না হয় সে বিষয়ে তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
ডাক্তার এস এম হারুন অর রশিদ।
ভেটেরি নারী কর্মকর্তা
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গাজীপুর।
জনসাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এমন অবৈধ মাংস ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের আরো কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

