
উত্তরা পশ্চিম বিএনপির পরীক্ষিত নেতা আজমল হুদা মিঠু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
দীর্ঘদিনের সংগঠনী ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব ও ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখার দাবি স্থানীয়দের।
উত্তরা, ঢাকা — উত্তরা পশ্চিম বিএনপির ত্যাগী, পরীক্ষিত ও মাঠের রাজনীতিতে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের পরিচিত নাম আজমল হুদা মিঠু। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, উত্তরা পশ্চিম বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বৃহত্তর উত্তরা যুবদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে তিনি সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আজমল হুদা মিঠুর হাত ধরেই উত্তরায় নতুন প্রজন্মের অনেক নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। সংগঠনকে শক্তিশালী করা, কর্মীদের পাশে থাকা এবং বিভিন্ন আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় থাকার জন্য তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্দোলনপর্বে তিনি সামনে থেকে অংশগ্রহণ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সমর্থকদের দাবি, বিগত সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন এবং কর্মীদের সংগঠিত করেন। তাদের ভাষায়, “মাঠে আমরা যাকে সবচেয়ে বেশি পেয়েছি, তিনি আজমল হুদা মিঠু।”
ঢাকা–১৮ আসনকে ঘিরে সংগঠনের অন্দরে যখন বিভিন্ন সময়ে বিভ্রান্তি, নেতিবাচক প্রচার ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়, তখন আজমল হুদা মিঠু তার অভিজ্ঞতা ও সংগঠনী বিচক্ষণতার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। দলের মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে তিনি বিষয়টি প্রশমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন বলে একাধিক নেতাকর্মীর বক্তব্যে উঠে এসেছে।
স্থানীয় নেতারা বলছেন, উত্তরা পশ্চিম থানার বৃহৎ কাঠামো আজ যেভাবে সুসংগঠিত, এর পেছনে তার দীর্ঘদিনের অবদান অন্যতম। সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ত্যাগ, সময় ও পরিশ্রম নিয়মিত আলোচিত হয়।
সমর্থকদের দাবি, ভবিষ্যতে উত্তরা পশ্চিম বিএনপি তথা ঢাকা মহানগর উত্তরের রাজনীতিতে আজমল হুদা মিঠুকে একটি সম্মানজনক ও নেতৃত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার সময় এসেছে। তাদের ভাষায়, “দল ও আন্দোলনে বহু বছরের ত্যাগ এবং পরীক্ষিত নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে আগামী দিনে আরও বড় দায়িত্বে দেখতে চাই।”

